Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জেলায় এক লক্ষ বাড়ি তৈরির টাকা দেবে রাজ্য

জেলায় এক লক্ষ বাড়ি তৈরির টাকা দেবে রাজ্য
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজ সোমবার শেষ হয়েছে। বীরভূম জেলায় তালিকা থেকে ৩১হাজারের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। প্রায় ১ লক্ষ পরিবার মাথার উপর ছাদ পেতে চলেছে। চূড়ান্ত তালিকা নবান্দে ফাইলবন্দি হয়ে জমা পড়বে। তার ভিত্তিতে ডিসেম্বর মাসে বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা দেবে রাজ্য সরকার। আধিকারিকরা জানান, পর্যায়ক্রমে সমীক্ষা করে তবেই চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হয়েছে।
Advertisement
জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে সমীক্ষা করেছেন। পাকা বাড়ি তৈরি করে নেওয়ার কারণেই সবচেয়ে বেশি নাম বাদ গিয়েছে। ৭৫ শতাংশের নাম একারণেই বাদ গিয়েছে। বাকিদের কারও প্রচুর জমি রয়েছে, কোনও পরিবারে সরকারি চাকরি পেয়েছে-এরকম নানা কারণে নাম বাদ পড়েছে। সোমবার বিকেল পর্যন্ত সমীক্ষার পর আমাদের কাছে পূর্ণাঙ্গ তালিকা জমা পড়বে।
এই সমীক্ষার আগে জেলায় ১ লক্ষ ৩৯ হাজার পরিবারের বাড়ি পাওয়ার কথা ছিল। রাজ্য সরকার ফের তালিকা যাচাই করার নির্দেশ দেয়। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার কয়েকবছর ধরে আবাসের টাকা দেয়নি। এরই মধ্যে অনেক পরিবারের স্ট্যাটাস অনেকটা বদলে যাওয়ার কথা। তাই ১০টি মাপকাঠির ভিত্তিতে ফের টানা একমাস সমীক্ষা চলে। রবিবার পর্যন্ত পাওয়া সমীক্ষার হিসাব অনুযায়ী, তালিকা থেকে অযোগ্য ২৪ শতাংশের নাম বাদ গিয়েছে। অর্থাৎ ৩১হাজার ১০৯জনের নাম বাদ গিয়েছে। রবিবার পর্যন্ত ১ লক্ষ ২৮ হাজার পরিবারের সমীক্ষা হয়েছিল। বাকি সমীক্ষা সোমবার হয়েছে।
এখনও অবধি যত সমীক্ষা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৯৭হাজার পরিবার আবাস যোজনায় বাড়ি পেতে চলেছে। সোমবারের সমীক্ষা শেষ হলে তা বেড়ে এক লক্ষের বেশি হয়ে যাবে বলেই প্রশাসন মনে করছে।
এখনও অবধি সিউড়ি-১ ব্লকে ৩১৭০, সিউড়ি-২তে ৪৫০০, লাভপুরে ৭০০০, মুরারই-২তে ১০ হাজার, সাঁইথিয়ায় আট হাজারটি পরিবার বাড়ি পেতে চলেছে। সমীক্ষায় খয়রাশোল, বোলপুর-শ্রীনিকেতন, রামপুরহাট-২ ব্লকে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ গিয়েছে। অন্য জেলায় আবাসের সমীক্ষা নিয়ে মানুষের ব্যাপক ক্ষোভ, বিক্ষোভ দেখা গেলেও বীরভূমে তেমনটা দেখা যায়নি। রামপুরহাট-২, পাড়ুই ছাড়া তেমন কোনও ক্ষোভ ছিল না। কোথাও কোথাও সমীক্ষকদের কাছে অনেকে স্বীকার করে নেন, তাঁদের বাড়ি হয়ে গিয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার নিজেদের তহবিল থেকে টাকা দিচ্ছে। এবিষয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির সদস্য কাজল শেখ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কথা দিলে কথা রাখেন। ভোটে জিতে গেলে তিনি প্রতিশ্রুতি ভুলে যান না। সেটা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ