Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়তেই গরম পোশাক কেনার ভিড় নবদ্বীপে

জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়তেই গরম পোশাক কেনার ভিড় নবদ্বীপে
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: ডিসেম্বরের শহর। শীত জাঁকিয়ে পড়তে শুরু করেছে নবদ্বীপে। তাই শীতের বাজার দখল করতে ইতিমধ্যেই গরম পোশাকের বিপুল সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাহারি চাদর, সোয়েটার, ছেলে ও মেয়েদের হুডি, মেয়েদের কার্ডিগান, টুপি, হাইনেক, জ্যাকেট, কম্বল সহ আধুনিক ডিজাইনের বিভিন্ন শীতবস্ত্র দোকানে সাজিয়ে রেখেছেন তাঁরা। আর যা কিনতে নবদ্বীপ তাঁত কাপড় হাট, রাধাবাজার, বাজার রোড সহ বিভিন্ন বাজারে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রেতারা।
Advertisement
শীতবস্ত্র ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, কয়েকদিন ধরে নবদ্বীপে মেঘলা আবহাওয়া। এর আগে দেখা গিয়েছে মেঘলা আবহাওয়া কেটে গেলেই জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ে। আর তার পরপরই বাড়ে শীতবস্ত্রের চাহিদা। এবছরও তার অন্যথা হবে না। ব্যবসায়ী বিপ্লবকুমার সাহা বলেন, ইতিমধ্যেই শীত পোশাকের চাহিদা তৈরি হয়েছে। এবছর অল্পবয়সী ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে সব থেকে বেশি চাহিদা হুডির। গত তিন-চার বছর বাজার খুবই খারাপ গিয়েছে। তাই বেশি পণ্য তোলার সাহস পায়নি অনেক ব্যবসায়ী। কিন্তু ঠান্ডা হাওয়া বইতেই মুহূর্তে শীতের জামাকাপড়ের চাহিদা বেড়েছে। তবে অনুপাতের হিসেবে বাজারে পোশাক অনেকটাই কম আছে। খুচরো বাজারের পাশাপাশি পাইকারি বিক্রির জন্যও নবদ্বীপে শীতবস্ত্র আসে। এইসব জিনিস পাঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে আনা হয়। তারপর এখান থেকে পাইকারি মাল কলকাতা, হাওড়া হাট, বর্ধমানের কাটোয়া, কালনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গার ব্যবসায়ীরা নিয়ে যান।
এক দোকানের কর্মচারী প্রদীপ সাহা বলেন, সোয়েটার, জ্যাকেট, টুপি, শীতের সমস্ত কিছু বিক্রি করছি। আশা করা যাচ্ছে দুই একদিনের মধ্যেই বাজারটা আরও ভালো যাবে। মূলত বৃহস্পতি ও শুক্রবার হাটের দু’দিন এখানে ভালো বিক্রি হয়। 
পূর্ব বর্ধমানের পারুলিয়ার বাসিন্দা সুরেশ দেবনাথ বলেন, আশা করছি আবহাওয়া পরিষ্কার হলেই ভালো শীত পড়বে। সেজন্য শীতের বিভিন্ন পণ্য নবদ্বীপ থেকে নিয়ে যাচ্ছি। নবদ্বীপ তাঁত কাপড় হাটে পাইকারি দোকান চালান বৃন্দাবন সাহা। তিনি বলেন, পাঞ্জাবের লুধিয়ানা, অমৃতসর, পিলখোয়া থেকে এইসব শীতবস্ত্র কিনে নিয়ে আসা হয়। এখানে পাইকারি বিক্রি করি। তবে কম দামের উলের নিটিং চাদরের চাহিদাটা বেশি। কম দামের ফ্যান্সি চাদরও বেশি চলছে। এবার বেশি নিটিং চাদর, পোলো চাদর, পোলো কম্বল ৮০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০-১২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। চাদর ৫০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় দু’শো থেকে তিনশো টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়। তাই ঠান্ডা পড়তেই হাসি ফুটেছে ব্যবসায়ীদের মুখে।
সম্পর্কিত সংবাদ