সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে সাড়া মিলছে না ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্র থেকে। রাজ্যে যখন ছ’টি বিধানসভার উপনির্বাচন প্রক্রিয়া চলছিল তখন এই লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভা এলাকায় বিজেপির টার্গেট ছিল ৮৬ হাজার সদস্য সংগ্রহ। সেই জায়গায় মাত্র ৩২ হাজার মানুষকে সদস্য করা গিয়েছে বলে বিজেপির দলীয় সূত্রে খবর। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত রায় অবশ্য এই খবরের সত্যতা স্বীকার করছেন না। তিনি বলেন, আমাদের দলের সদস্য সংগ্রহ আশানুরূপ হচ্ছে না, এই ধারণাটা ভুল। জঙ্গলমহলের মানুষ ফোন ব্যবহার নিয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। যেহেতু সদস্য সংগ্রহ অভিযান ইন্টারনেটের ব্যবহার করে হচ্ছে তাই তা আপডেট হতে সময় লাগবে।
Advertisement
অন্যদিকে এই সদস্য সংগ্রহ অভিযানের যে পদ্ধতি, তা একেবারে অবৈজ্ঞানিক বলে অভিমত বিজেপির নেতাকর্মীদের একাংশের। তাঁরা বলছেন, মনে করা যাক একটি পরিবারে একটিই ফোন রয়েছে। সেটি ব্যবহার করেন পাঁচজন সদস্য। অথচ একটি ফোন নম্বর থেকে মাত্র একজনই সদস্য পদের আবেদন করতে পারেন। তাছাড়া কোনও ব্যক্তিকে দলীয় নীতি, আদর্শ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না করে, কেবল একটি মিসড কলের বিনিময়ে সদস্য করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রে খবর, গত ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের সময়ে রাজ্য থেকে কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল যে, এখানে সদস্য সংখ্যা ৯০ লক্ষ। সে সময়ে টার্গেট ছিল ১ কোটি। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ধরে নিয়েছিল এই উপনির্বাচনের সময়ে ১০ লক্ষ সদস্য বাড়বে। আদতে গোটা প্রক্রিয়াটি বুমেরাং হয়েছে।
আসলে গত লোকসভা নির্বাচনে জেলা বিজেপির মধ্যে দলীয় কোন্দল অব্যাহত থাকায় ঝাড়গ্রাম লোকসভা আসনটি হারিয়েছে বিজেপি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও ঝাড়গ্রামে ধরাশায়ী হয়েছে তারা। দেশের যে কোনও রাজ্যে বিজেপি জিতলে আগে ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপি আবির খেলত, মিছিল করত। অথচ কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রে বিজেপি জোট বিরাট ব্যবধানে জিতে ক্ষমতায় এলেও ঝাড়গ্রামে বিজেপির জয়োল্লাস চোখে পড়েনি। বিজেপির রাজ্য কমিটির এক সদস্য বলেন, নিচুতলায় বিজেপির সক্রিয় কার্যকর্তা নেই। রাজ্য নেতৃত্ব বড় বড় কথা বললে কী হবে, সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষ্যে কেউ সেরকম সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে না। ওপরতলার কয়েকজন নেতার নাম ভাঙিয়ে নিচুতলায় রাজনীতি হয় না।
তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গী বলেন, আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সার্বিক উন্নয়ন মানুষের হৃদয়ে গাঁথা হয়ে গিয়েছে। বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামো বলে কিছু ছিল না, এখনও নেই। রাজ্যের উপ নির্বাচনের ফল তার প্রমাণ।
দলীয় সূত্রে খবর, গত ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের সময়ে রাজ্য থেকে কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল যে, এখানে সদস্য সংখ্যা ৯০ লক্ষ। সে সময়ে টার্গেট ছিল ১ কোটি। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ধরে নিয়েছিল এই উপনির্বাচনের সময়ে ১০ লক্ষ সদস্য বাড়বে। আদতে গোটা প্রক্রিয়াটি বুমেরাং হয়েছে।
আসলে গত লোকসভা নির্বাচনে জেলা বিজেপির মধ্যে দলীয় কোন্দল অব্যাহত থাকায় ঝাড়গ্রাম লোকসভা আসনটি হারিয়েছে বিজেপি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও ঝাড়গ্রামে ধরাশায়ী হয়েছে তারা। দেশের যে কোনও রাজ্যে বিজেপি জিতলে আগে ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপি আবির খেলত, মিছিল করত। অথচ কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রে বিজেপি জোট বিরাট ব্যবধানে জিতে ক্ষমতায় এলেও ঝাড়গ্রামে বিজেপির জয়োল্লাস চোখে পড়েনি। বিজেপির রাজ্য কমিটির এক সদস্য বলেন, নিচুতলায় বিজেপির সক্রিয় কার্যকর্তা নেই। রাজ্য নেতৃত্ব বড় বড় কথা বললে কী হবে, সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষ্যে কেউ সেরকম সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে না। ওপরতলার কয়েকজন নেতার নাম ভাঙিয়ে নিচুতলায় রাজনীতি হয় না।
তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গী বলেন, আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সার্বিক উন্নয়ন মানুষের হৃদয়ে গাঁথা হয়ে গিয়েছে। বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামো বলে কিছু ছিল না, এখনও নেই। রাজ্যের উপ নির্বাচনের ফল তার প্রমাণ।



