সংবাদদাতা, লালবাগ: পথনিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচি পালন করছে। কিন্তু বাস্তবে ট্রাফিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে একশ্রেণির বাইকচালক। জিয়াগঞ্জ শহরের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় বছর ১৬’র কিশোর থেকে শুরু করে যুবকরা বেপরোয়াভাবে বাইক চালাচ্ছে। সন্ধ্যা থেকেই শহরের বিভিন্ন জনবহুল রাস্তায় যেন বাইকের রেস শুরু হয়ে যায়। এর জেরে যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা শহরবাসীর। তাঁরা এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন। লালবাগ মহকুমা পুলিস আধিকারিক আকুলকর রাকেশ মহাদেব বলেন, বেপরোয়া বাইক চলাচলে রাশ টানতে মাঝেমধ্যেই অভিযান চালানো হচ্ছে। পরবর্তীতে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
Advertisement
পথনিরাপত্তার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে প্রশাসন বছরভর নানা কর্মসূচি পালন করছে। বাইক চালক সহ আরোহীদের হেলমেট ব্যবহার, নিরাপদ গতি বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র সচেতনতা দেখা যাচ্ছে না জিয়াগঞ্জে। বেশিরভাগ মানুষই হেলমেট না পরে বাইক চালান। তার উপর অল্পবয়সিরা শহরের রাস্তায় বাইক নিয়ে গতির লড়াইয়ে নামে। প্রচণ্ড শব্দে উল্কার মতো বাইক ছুটে যাওয়ায় পথচারীরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন।
জিয়াগঞ্জ শহরের হাতিবাগান থেকে নেতাজি মোড়, হাইস্কুলপাড়া থেকে স্টেশন রোড ও ফুলতলা থেকে পশ্চিমে সদরঘাট এবং পূর্বে বাগডহর পর্যন্ত সড়কে দিনরাত পথচারী ও গাড়ি যাতায়াত লেগে থাকে। কিন্তু বিশেষত সন্ধ্যা নামার পর থেকেই অল্পবয়সি ছেলেরা এসমস্ত রাস্তায় বেপরোয়াভাবে বাইক চালায়।
শহরের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাচল করাও এখন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি সাবধানে চললে কী হবে, যে কোনও সময়ে বেপরোয়া বাইক এসে ধাক্কা দিতে পারে। বাড়ির কেউ রাস্তায় বেরোলে ফিরে না আসা পর্যন্ত চিন্তায় থাকি। বাইকের বেপরোয়া গতিতে রাশ টানতে পুলিসকে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে। বাগডহরের বাসিন্দা বৃন্দাবন দত্ত বলেন, সন্তানের আবদার রাখতে অভিভাবকরা তাদের হাতে বাইকের চাবি তুলে দিচ্ছেন। এটাই বিপদ ডেকে আনছে। এবিষয়ে তাঁদের সচেতন হতে হবে।
জিয়াগঞ্জ শহরের হাতিবাগান থেকে নেতাজি মোড়, হাইস্কুলপাড়া থেকে স্টেশন রোড ও ফুলতলা থেকে পশ্চিমে সদরঘাট এবং পূর্বে বাগডহর পর্যন্ত সড়কে দিনরাত পথচারী ও গাড়ি যাতায়াত লেগে থাকে। কিন্তু বিশেষত সন্ধ্যা নামার পর থেকেই অল্পবয়সি ছেলেরা এসমস্ত রাস্তায় বেপরোয়াভাবে বাইক চালায়।
শহরের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাচল করাও এখন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি সাবধানে চললে কী হবে, যে কোনও সময়ে বেপরোয়া বাইক এসে ধাক্কা দিতে পারে। বাড়ির কেউ রাস্তায় বেরোলে ফিরে না আসা পর্যন্ত চিন্তায় থাকি। বাইকের বেপরোয়া গতিতে রাশ টানতে পুলিসকে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে। বাগডহরের বাসিন্দা বৃন্দাবন দত্ত বলেন, সন্তানের আবদার রাখতে অভিভাবকরা তাদের হাতে বাইকের চাবি তুলে দিচ্ছেন। এটাই বিপদ ডেকে আনছে। এবিষয়ে তাঁদের সচেতন হতে হবে।



