সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে তিনটি সাপ ঘুরে বেরাতে দেখে কর্মীদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। মঙ্গলবার সকালে ঘটনায় ব্লাড ব্যাঙ্ক চত্বরে আতঙ্ক ছড়ায়। কর্মীরা ভয়ে আর অফিসে বসে কাজ করতে পারেননি। বন দপ্তরের কর্মীদের খবর দেয় হাসপাতালের কর্মীরাই। পরে বন দপ্তরের কর্মীরা এসে একটি সাপ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। বাকি দু'টি সাপের আর দেখা মেলেনি। তবে দোতলায় ব্লাড ব্যাঙ্কে কিভাবে তিনটি সাপ প্রবেশ করল তা নিয়ে ধন্দে ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মীরা। ঝোপজঙ্গল থেকেই কোনওভাবে সেগুলো ব্লাড ব্যাঙ্কে প্রবেশ করে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিমত।
এ প্রসঙ্গে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের অ্যাসিষ্ট্যন্ট সুপার গৌরভকুমার দাস বলেন, এদিন সকালেই ব্লাড ব্যাঙ্কে তিনটি সাপের দেখা মেলে। বন দপ্তরে খবর দিলে তারা সাপ ধরে নিয়ে যায়।
জানা গিয়েছে, ব্লাড ব্যাঙ্কের টেবিলে, মেশিনে এমনকি এসি’র উপর ঘুরে বেড়াচ্ছে তিনটি দাঁড়াশ। ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মীরা অফিসে প্রবেশ করতেই সাপ দেখে আঁতকে ওঠেন। কর্মীরা আর ভয়ে অফিসে প্রবেশ করতে সাহস করেননি। দূর থেকেই তাদের গতিবিধির উপরে নজর রাখছিলেন। দু’একজন কর্মী তাঁদের মোবাইলের ক্যামেরায় সাপের ভিডিও তুলে রাখেন। দুপুর ১২টা নাগাদ বন দপ্তরের কর্মীরা এসে একটি সাপ ধরে নিয়ে যায়। ব্লাড ব্যাঙ্কের পিছনের দিকে ঝোপজঙ্গল রয়েছে। গাছপালা দিয়ে উঠে ব্লাড ব্যাঙ্কের জানালা বা কোনও ফাঁকফোঁকড় গলিয়ে সাপ তিনটি দোতলায় ঘরে প্রবেশ করে থাকতে পারে বলে অনুমান কর্মীদের। দাঁড়াশ সাপ ইঁদুর, ছুঁচো বা খাবারের খোঁজে চলে আসতে পারে। জঙ্গিপুর বনদপ্তরের এক কর্মী শেখ আলেনুর বলেন, আমরা প্রায় পাঁচ ফুটের একটি দাঁড়াশ সাপকে উদ্ধার করেছি। বাকি দু'টো হয়তো আমাদের পৌছানোর আগেই পালিয়ে গিয়েছে।