Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জোড়া গ্রেপ্তারির ৪দিন পরও ‘লুটের’ টাকা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস

জোড়া গ্রেপ্তারির ৪দিন পরও ‘লুটের’ টাকা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস
  • ২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: জোড়া গ্রেপ্তারির ৪ দিন পরও নেশার সামগ্রী মেশানো খাবার খাইয়ে বাহিনের লুটের ঘটনায় ধোঁয়াশা অব্যাহত। উদ্ধার হয়নি খোয়া যাওয়া টাকা, গয়না। মেলেনি তৃতীয় কোনও ব্যক্তির যোগসূত্র। সব মিলিয়ে বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজপুর চান্দাহার এলাকার লুটের ঘটনাটি নিয়ে বছরের প্রথম দিনেও ধন্দে রায়গঞ্জ থানার তদন্তকারীরা। অভিযোগ, ২৭ ডিসেম্বর মহারাজপুর চান্দাহার এলাকায় মেহের আলির বাড়িতে লুট হয়। পেশায় কলমিস্ত্রী মেহেরের দাবি, ওইদিন আমার বাড়িতে আসে আমারই আত্মীয় নূর আলম ও তার স্ত্রী লজি খাতুন। তারাই সকলের অলক্ষ্যে খাবারের সঙ্গে নেশার কোনও ওষুধ বা কিছু মিশিয়ে দেয়। তার জন্য পরিবারের সদস্যরা সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ি। সেই সুযোগে বাড়িতে থাকা সাড়ে নয় লাখ টাকা আলমারি থেকে খোয়া যায়। সঙ্গে সোনা রূপোর গয়নাও খোয়া যায়। শনিবার সকালে ঘুমের ঘোর কাটলে বিষয়টি রায়গঞ্জ থানায় জানানো হয়। এরপরই সন্দেহভাজন আত্মীয় নূর আলম ও লজি খাতুনকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। আদালত তাদের পুলিস হেফাজতে পাঠায়। কিন্তু গ্রেপ্তারির ৪ দিন কেটে গেলেও জিজ্ঞাসাবাদে পুলিস ঘটনার ব্যাপারে কোনও তথ্য পায়নি। আদৌ চুরি হয়েছে নাকি, অন্য কোনও ঘটনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে তদন্তকারীদের মধ্যেই। পুলিস সূত্রে খবর, অভিযোগকারী ও তাঁর বাড়ির সদস্যদের সঙ্গেও পুলিস কথা বলেছে। জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসা তথ্য ক্রসচেক করার কাজ চালানো হচ্ছে। কিন্তু খোয়া যাওয়া টাকা ও সামগ্রীর কোনও হদিশ মেলেনি। অন্যদিকে অভিযোগকারীর বাড়িতে কী করে বিপুল পরিমাণ নগদ রাখা ছিল, সেটাও তদন্তকারীদের আতসকাচের তলায়। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, তদন্তকারীরা সবদিক খতিয়ে দেখছেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ