ওয়াশিংটন, ৪ মার্চ: ইউক্রেনে সামরিক সাহায্য পাঠানো বন্ধ করে দিল আমেরিকা। আজ, মঙ্গলবারই এমনটা ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন। যার ফলে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে আরও বিপাকে পড়ল ইউক্রেন। যদিও এমনটাই প্রত্যাশিত ছিল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে যেভাবে 'ঝামেলা'য় জড়িয়ে পড়েন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তারপর থেকেই অনুমান ছিল কিয়েভের পাশ থেকে সরে যাবে ওয়াশিংটন। হলও তাই। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ থামিয়ে ইউক্রেন যাতে শান্তিচুক্তির পথে হাঁটে সেই চেষ্টাই করছে আমেরিকা। তার জন্যই এই পদক্ষেপ। ওয়াশিংটনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্দেশে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। সেই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। পরে তাঁদের যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনের কথা থাকলেও সেখানেই ট্রাম্প ও ভান্সের সঙ্গে বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন জেলেনস্কি। সেখানেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, আমাদের সামরিক সাহায্য ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে দু'সপ্তাহ টিকতে পারবে না ইউক্রেন। তারপরেই তপ্ত বাক্যবিনিময় চলে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে। শেষে খনিজ চুক্তি না করেই হোয়াইট হাউস ছেড়ে বেড়িয়ে যান জেলেনস্কি। সেদিনই ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি করতেই চাইছেন না জেলেনস্কি। যদিও কিয়েভের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেবে ওয়াশিংটন সেই বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। তবে আজ, মঙ্গলবার ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য পাঠানো বন্ধ করার নির্দেশ জারি করে বিশেষ বার্তা দিলেন ট্রাম্প।



