Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬

সরকারকে সরানোর সময় এসেছে: রাহুল

রাহুল গান্ধী বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা বিজেপির জন্য সতর্কবার্তা। বিস্তারিত পড়ুন।

সরকারকে সরানোর সময় এসেছে: রাহুল
  • ২৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নিটের প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে শুরু থেকেই সরব বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর রাহুল বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আন্দোলনকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই সরকারকে সরানোর সময় চলে এসেছে। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা ছাত্র আন্দোলনের বড় জয়।  বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে এই ছাত্র আন্দোলন বিজেপি-আরএসএসের প্রতি একটা সতর্কবার্তা। সেখানে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, নিজেদের খেয়ালখুশি মতো সরকার চালাতে পারে না গেরুয়া শিবির। আর এরপরও যদি তারা এই কাজ করে তাহলে এর ১০ গুণ বিক্ষোভের মুখে পড়তে হবে সরকারকে। তাঁর দাবি, ধর্মেন্দ্র প্রধান দুর্নীতির প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর ইস্তফা খুবই প্রয়োজন ছিল। 

Advertisement

এদিন সকালেও প্রধানের পদত্যাগ চেয়ে সুর চড়ান কংগ্রেস নেতা। সেইসঙ্গে ককরোচ শিবিরও। এরপরই ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার খবর সামনে আসে। জিতেন্দ্র সিং এবং জগৎপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির প্রথম দিনের বৈঠকের পর মন্ত্রীরা সরকারের শীর্ষ স্তরে জানান,  ইস্তফার দাবি থেকে সরতে নারাজ বিক্ষোভকারীরা।  দ্বিতীয় দিনের বৈঠকেও ককরোচ শিবির সরকারকে জানায়, ৭২ ঘন্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না হলে আবার সংসদ অভিযান হবে। এই হুঁশিয়ারিতে বিপদে পড়ে সরকার। ইস্তফা ছাড়া উপায় নেই বলেই সরকার বুঝতে পারে। 
এদিন সকালে ১০ জনপথে সাংবাদিক সম্মেলনে ছাত্রদের উপর পুলিশি দমননীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বারষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করেন রাহুল। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আরএসএসের কব্জায় চলে গিয়েছে। আর এভাবে ভেতরে ভেরতে ফোঁপরা করে তোলা হয়েছে পুরো ব্যবস্থাকে। রাহুল আরও বলেন, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা একটা সময় সারা বিশ্বে সমাদৃত ছিল। এখন তা আক্রমণ, দখলদারি ও বেসরকারিকরণের মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে একপ্রকার সমর্থনই করল বিজেপি ও এনডিএ নেতৃত্ব। তাঁদের যুক্তি, এই পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। পড়ুয়াদের দাবি মেনেই তিনি সরে গিয়েছেন।
 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ