‘এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স’ নাটক সম্প্রতি কলকাতাতে মঞ্চস্থ করলেন শ্বেতা ত্রিপাঠী ও চৈতন্য শর্মা।। এক সাক্ষাৎকারে অভিনয় নিয়ে আড্ডা দিলেন শ্বেতা।
‘এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স’ নাটক সম্প্রতি কলকাতাতে মঞ্চস্থ করলেন শ্বেতা ত্রিপাঠী ও চৈতন্য শর্মা।। এক সাক্ষাৎকারে অভিনয় নিয়ে আড্ডা দিলেন শ্বেতা।
• কলকাতার মঞ্চে প্রথম অভিনয় করলেন। কলকাতায় প্রথম কবে এসেছিলেন?
•• ছোটোবেলায় প্রথম কলকাতায় এসেছিলাম। কলকাতার খাবার আমার ভীষণ প্রিয়। বাংলা ভাষা, বাংলা ছবি ও বাঙালি চরিত্রের প্রতিও আমার আলাদা টান রয়েছে।
• শুনেছি, চৈতন্যর সঙ্গে আপনার প্রথম সাক্ষাৎ ‘এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স’ নাটকের মাধ্যমেই হয়েছিল। মনে আছে সেই দিনগুলি?
•• অবশ্যই মনে আছে (হেসে)। নাটকের সূত্রে আমরা দিল্লি গিয়েছিলাম। ওখান থেকে ফেরার সময় আমাদের সিট পাশাপাশি ছিল, আর চিতা (চৈতন্য) আমাকে এত হাসাচ্ছিল যে আমি হাসি থামাতেই পারছিলাম না। দু’জনেই স্কুবা ডাইভিং ভালোবাসি, সেখান থেকেই আমাদের কথাবার্তা শুরু হয়। আমাদের দু’জনেরই থিয়েটারের প্রতি ভালোবাসা রয়েছে।
• ১০ বছর পর এই নাটকের হাত ধরেই আবার মঞ্চে ফিরলেন। দর্শক এবং থিয়েটারের কী পরিবর্তন দেখেছেন?
•• আমার মনে হয়, দর্শক সবসময়ই প্রস্তুত থাকেন। এমন কিছু দিতে হয়, যা তাঁদের মনে প্রশ্ন তৈরি করবে ও উত্তেজিত করবে। থিয়েটারের দর্শক খুবই বুদ্ধিমান এবং তাঁদের মধ্যে থিয়েটারের প্রতি শিষ্টাচার ও সম্মান আজও একইরকম আছে, এটাই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে।
• আপনার প্রযোজনা সংস্থায় নতুন অভিনেতাদের সুযোগ দেবেন?
•• অবশ্যই। যাঁর প্রতিভা আছে এবং যিনি পরিশ্রম করতে প্রস্তুত, তাঁকে সুযোগ দেওয়া উচিত। ইন্ডাস্ট্রির ‘ইনসাইডার’ হন বা ‘আউটসাইডার’, প্রতিভা থাকলে সুযোগ মিলবেই।
• চিত্রনাট্য বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এখন কি আগের চেয়ে বেশি স্বাধীনতা পেয়েছেন?
•• প্রথম দিন থেকেই আমি এই স্বাধীনতা পেয়েছি। ‘মাসান’ বা ‘হারামখোর’-এর সময়ও নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। আসলে এটা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কাদের সঙ্গে কাজ করছেন তার ওপর। ভাগ্যক্রমে আমি সবসময় এমন পরিচালক ও সহকর্মীদের পেয়েছি, যাঁরা অভিনেতার মতামতকে গুরুত্ব দেন এবং নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করেন।
• সমাজ মাধ্যমে ইতিবাচক, নেতিবাচক মন্তব্যকে কীভাবে গ্রহণ করেন?
•• আমি খুব বেশি মন্তব্য পড়ি না। কারণ যত বেশি পড়বেন, ততই সেগুলোর প্রভাব আপনার উপর পড়বে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। কাজ হোক বা ব্যক্তিগত জীবন, সেটাই চেষ্টা করি।
দেবারতি ভট্টাচার্য