সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর শহরে অন্ধকারে থাকছে মনীষীদের মূর্তি। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, চৌরঙ্গী মোড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি, টার্মিনাসের সামনে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী সহ একাধিক মনীষীদের মূর্তি আছে। সেগুলিতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা আছে। কিন্তু ২০২৩ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি নিউটাউন রোডে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের পূর্ণাবয়ব মূর্তির আবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছিলেন পুরসভার চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল আগরওয়াল। গত বছর মার্চে পার্ক মোড়ে সিধু, কানহোর মূর্তিরও উন্মোচন করেন তিনি। কিন্তু সেই মূর্তিগুলির জন্য আলাদা করে আলোর ব্যবস্থা করা হয়নি। পথবাতির আলোতে সামান্য আলোকিত হয় ওই এলাকা। এর ফলে রাতের অন্ধকারে নিউটাউন রোড ও পার্ক মোড়ের মনীষীদের মূর্তি দেখা যায় না।
Advertisement
স্থানীয় কবি নিশিকান্ত সিনহা বলেন, লাইট লাগানোর দায়িত্ব পুর কর্তৃপক্ষের। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। আমরা পুর কর্তৃপক্ষের কাছে অন্তত একটি করে বড় আলোর ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি।
বাসিন্দারা বলছেন, উত্তরবঙ্গের মধ্যে সংস্কৃতি চর্চায় ইসলামপুর অন্যতম। এই শহরে অনেক কবি, সাহিত্যিক, লেখক, শিল্পীরা আছেন। গোটা বছরই নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। তাই মনীষীদের মূর্তিতে পর্যাপ্ত আলোর দাবি জোরালো হয়েছে।
আদিবাসী নেতা তথা আদিবাসী জমিরক্ষা কমিটির ইসলামপুর ব্লক সম্পাদক জাসকেল হাঁসদা বলেন, সিধু, কানহোর মূর্তির কাছে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। বিষয়টি আমি পুর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম। তারপর একটি সোলার লাইট দেওয়া হলেও কাজ হয়নি। অন্তত তিনটি বড় লাইট মূর্তির দিকে লাগাতে হবে। এই বিষয়ে ফের পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।
কানাইয়ালাল বলেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও সিধু, কানহোর মূর্তিতে শীঘ্রই পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হবে। এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাসিন্দারা বলছেন, উত্তরবঙ্গের মধ্যে সংস্কৃতি চর্চায় ইসলামপুর অন্যতম। এই শহরে অনেক কবি, সাহিত্যিক, লেখক, শিল্পীরা আছেন। গোটা বছরই নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। তাই মনীষীদের মূর্তিতে পর্যাপ্ত আলোর দাবি জোরালো হয়েছে।
আদিবাসী নেতা তথা আদিবাসী জমিরক্ষা কমিটির ইসলামপুর ব্লক সম্পাদক জাসকেল হাঁসদা বলেন, সিধু, কানহোর মূর্তির কাছে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। বিষয়টি আমি পুর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম। তারপর একটি সোলার লাইট দেওয়া হলেও কাজ হয়নি। অন্তত তিনটি বড় লাইট মূর্তির দিকে লাগাতে হবে। এই বিষয়ে ফের পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।
কানাইয়ালাল বলেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও সিধু, কানহোর মূর্তিতে শীঘ্রই পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হবে। এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



