সংবাদদাতা, ইসলামপুর: প্রায় ৫ বছর আগে ভাঙা হয়েছিল ইসলামপুর শহরের টাউন হল বা নেতাজি সুভাষ মঞ্চ। পুরসভার চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল আগরওয়াল জানিয়েছিলেন দ্রুত সেটি নতুন করে নির্মাণ করা হবে। কিন্তু বরাদ্দ না পাওয়ায় সেই কাজ এত বছরেও শুরু হল না। এতে ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দাদের। তাঁদের কথায়, পুরনোটি সংস্কার করলেও কাজ চলত। টাউন হল ভাঙার ফলে এখন আর শহরে কোনও মঞ্চ নেই। এতে অনুষ্ঠান আয়োজনে সমস্যায় পড়ছেন বাসিন্দারা। বিষয়টি কার্যত প্রেস্টিজ ইস্যু হয়ে উঠেছে কানাইয়ার কাছেও।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাম আমলে তৈরি টাউন হলটি অনেক পুরনো হয়ে যাওয়ায় সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। তবে, নতুন করে নির্মাণের জন্য প্রায় ৫ বছর আগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল পুরসভা। দপ্তর হলটি ভেঙে সেখানে আধুনিক অডিটোরিয়াম তৈরির প্রস্তাব নেয়। রবীন্দ্রনাথ ঘোষ দপ্তরের মন্ত্রী থাকাকালীন টেন্ডার হওয়ার পর পুরসভা পুরনো হলটি ভেঙে দেয়। তারপর টেন্ডার বাতিল হয়ে যাওয়ায় সমস্যা বাড়ে। এখন ফান্ড জোগার করে কবে কাজ শুরু হবে, স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না কেউ।
বাসিন্দারা বলছেন, পুরসভা এলাকায় অনুষ্ঠান, সভা, সরকারি কর্মসূচির জন্য হলঘরের অভাব। টাউন হলে বড় কর্মসূচির পরিকাঠামো ছিল। সেটি বেহাল থাকলেও মেরামত করে ব্যবহারের যোগ্য করে তোলা যেত। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ভেঙে ফেলাতেই বিপদ হয়েছে। শহরের বাসিন্দা ও বিশিষ্ট কবি নিশিকান্ত সিনহা বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য একটি হল অত্যন্ত প্রয়োজন।টাউন হল মেরামত করার জন্য পুরসভার চেয়ারম্যানকে অনেকবার আবেদন করলেও তিনি শুধু আশ্বাস দিয়েছেন। কবে কাজ শুরু হবে বুঝতে পারছি না।
নাট্যকর্মী উত্তম সরকারের কথায়, টাউন হল না থাকায় এখন মুক্তমঞ্চে নাটক করতে হচ্ছে। এতে খরচ বাড়ছে।বাসিন্দারা বলছেন, পুরসভা এলাকায় অনুষ্ঠান, সভা, সরকারি কর্মসূচির জন্য হলঘরের অভাব। টাউন হলে বড় কর্মসূচির পরিকাঠামো ছিল। সেটি বেহাল থাকলেও মেরামত করে ব্যবহারের যোগ্য করে তোলা যেত। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ভেঙে ফেলাতেই বিপদ হয়েছে। শহরের বাসিন্দা ও বিশিষ্ট কবি নিশিকান্ত সিনহা বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য একটি হল অত্যন্ত প্রয়োজন।টাউন হল মেরামত করার জন্য পুরসভার চেয়ারম্যানকে অনেকবার আবেদন করলেও তিনি শুধু আশ্বাস দিয়েছেন। কবে কাজ শুরু হবে বুঝতে পারছি না।
কানাইয়াও অনেক চেষ্টা করে ফান্ড জোগার করতে পারছেন না। তাঁর অনুরোধে কয়েকমাস আগে জেলাশাসক হলের জায়গা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।
কানাইয়া বলেন, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর কিংবা জেলাশাসকের মাধ্যমেও কোনও দপ্তর থেকে বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। আমরা নতুন হল করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।



