সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: নিতুড়িয়ার পারবেলিয়া কোলিয়ারি কর্তৃপক্ষ এলাকায় খোলামুখ খনি করতে চাইছে। তারই প্রতিবাদ জানিয়ে রবিবার জমিরক্ষা কমিটির সদস্যরা সভা করেন। এদিন নিতুড়িয়ার পারবেলিয়া এলাকার একটি মাঠে সভাটি হয়। ধামসা, মাদল নিয়ে আদিবাসীরা সভা থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। এদিনের সভায় জমিরক্ষা কমিটির সম্পাদক বিপ্লব মারান্ডি, অন্যতম সদস্য পরেশ মারান্ডি, রাজেন টুডু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, কোলিয়ারি কর্তৃপক্ষ এলাকায় খোলা মুখ কয়লাখনি করার জন্য মানুষকে ভুল বুঝিয়ে জমি অধিগ্রহণ করতে চাইছে। পাশাপাশি এলাকায় কয়েক শতাব্দী ধরে ইসিএলের জমির উপর বসবাসকারী মানুষদের কোনওরকম পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। তারেই প্রতিবাদে এলাকার জমিহারা কমিটি আন্দোলনের নেমেছে। তাঁদের বক্তব্য, যে সব জায়গায় কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহণ করতে চাইছে, তার বেশিরভাগটি আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম। জমি চলে গেলে এলাকায় চাষের ব্যাপক ক্ষতি হবে। পাশাপাশি পরিবেশ নষ্ট হবে। তাই খোলা মুখ কয়লা খনি করতে কোনওভাবেই জমি দেওয়া হবে না। তাই আন্দোলন শুরু হয়েছে।
ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার নেতা তথা জমিহারা কমিটির সম্পাদক বিপ্লব মারান্ডি বলেন, ইসিএল প্রায় ৬০০ একর জমির উপর খোলা মুখ কয়লা খনি করতে চাইছে। যার বেশিরভাগ জমি চাষযোগ্য। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অথচ ২০১৪ সালে হিরাকুন্দ মৌজায় জমি নেওয়া হলেও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। তাই কোনওভাবেই জমি দেওয়া হবে না। পারবেলিয়া এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গিয়েছে, শুধু জমি অধিগ্রহণ করেই খোলা মুখ কয়লা খনি করা হবে না। বর্তমানে কালী মেলা, সাহেব পাড়া, নিউ কলোনি, শ্রীধাওড়া এলাকায় ৫০০ বেশি বাড়ি রয়েছে। জায়গাগুলি বেশিরভাগ ইসিএলের। ওই জায়গার বসবাসকারীদের উঠিয়ে দিয়ে ইসিএল খোলা মুখ কয়লা খনি করতে চাইছে। নিতুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা শান্তিভূষণ প্রসাদ যাদব বলেন, আমাদের দাবি, আগে পুনর্বাসন দিতে হবে তারপরে খোলা মুখ কয়লা খনি করতে হবে। যদিও বিষয়টি নিয়ে ইসিএল কর্তৃপক্ষের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাঁকুড়া লোকসভার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ইসিএল জোর করে জমি অধিগ্রহণ কখনওই করতে পারবে না। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের অবশ্যই পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার নেতা তথা জমিহারা কমিটির সম্পাদক বিপ্লব মারান্ডি বলেন, ইসিএল প্রায় ৬০০ একর জমির উপর খোলা মুখ কয়লা খনি করতে চাইছে। যার বেশিরভাগ জমি চাষযোগ্য। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অথচ ২০১৪ সালে হিরাকুন্দ মৌজায় জমি নেওয়া হলেও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। তাই কোনওভাবেই জমি দেওয়া হবে না। পারবেলিয়া এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গিয়েছে, শুধু জমি অধিগ্রহণ করেই খোলা মুখ কয়লা খনি করা হবে না। বর্তমানে কালী মেলা, সাহেব পাড়া, নিউ কলোনি, শ্রীধাওড়া এলাকায় ৫০০ বেশি বাড়ি রয়েছে। জায়গাগুলি বেশিরভাগ ইসিএলের। ওই জায়গার বসবাসকারীদের উঠিয়ে দিয়ে ইসিএল খোলা মুখ কয়লা খনি করতে চাইছে। নিতুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা শান্তিভূষণ প্রসাদ যাদব বলেন, আমাদের দাবি, আগে পুনর্বাসন দিতে হবে তারপরে খোলা মুখ কয়লা খনি করতে হবে। যদিও বিষয়টি নিয়ে ইসিএল কর্তৃপক্ষের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাঁকুড়া লোকসভার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ইসিএল জোর করে জমি অধিগ্রহণ কখনওই করতে পারবে না। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের অবশ্যই পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।



