নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শেকসপিয়র সরণিতে ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল এজেন্টের অফিসে বাইরে গাড়ি, বাইকের সারি। বাইরে হোক কিংবা ভিতরে— ইতিউতি গুঞ্জন। অফিসের ভিতরে অনেক মুখ। প্রত্যেকের মুখেই দুশ্চিন্তার ছাপ। মিল রয়েছে তাঁদের প্রশ্নে। সবাই ট্রাভেল এজেন্সির কর্মীদের জিজ্ঞাসা করছেন— ‘আমার পরিবারের সদস্যের কী অবস্থা? নেপাল সরকার কিছু জানাল? ওঁদের কী অবস্থা? কিছু তো বলুন?’
শেকসপিয়র সরণি এলাকায় ‘চলো যাই’ নামে একটি ট্রাভেল এজেন্সির অফিস। তারা ২১ আগস্ট নেপাল ভ্রমণে নিয়ে যান রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ৩১ জনকে। ভয়াবহ হড়পা বানে তাঁরা নিখোঁজ হয়ে যান। ‘চলো যাই’-এর অফিসে আত্মীয় স্বজনের খোঁজ নিতে এদিন সকাল থেকেই ভিড় করেন পরিবারের সদস্যরা। রণজিৎ কুমার হাওলাদার নামের নিখোঁজ পর্যটকের এক আত্মীয় বলেন, একাই নেপালে গিয়েছেন রণজিৎ। ট্রাভেল এজেন্সি ও শেকসপিয়র সরণি থানা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বুধবার রাতে। এরপরেই আমরা ‘চলো যাই’-এর অফিসে এসেছি। কিন্তু, এখানেও কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বর্ধমান থেকে এসেছেন সুভাষচন্দ্র ঘোষের পরিবার। ওই পরিবারের এক সদস্য বলেন, একটা ফোন পেলেও একটু নিশ্চিন্ত হতাম। কিছুই বুঝতে পারছি না, শেষ দেখা পাব কি না। উৎকণ্ঠায় কাটছে। ‘চলো যাই’-এর কর্মীরা বলেন, নেপালে আমাদের যে প্রতিনিধি ছিলেন, তাঁর খবরও পাওয়া যাচ্ছে না।