Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

আমেরিকা থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার প্রক্রিয়া কি স্থগিত করছে ভারত, জল্পনা

বাণিজ্য-সংঘাতের জের। তলানিতে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। পাল্টা পদক্ষেপে এবার কি আমেরিকা থেকে অস্ত্র ও বিমান কেনার পরিকল্পনা স্থগিত করছে নয়াদিল্লি?

আমেরিকা থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার প্রক্রিয়া কি স্থগিত করছে ভারত, জল্পনা
  • ৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বাণিজ্য-সংঘাতের জের। তলানিতে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। পাল্টা পদক্ষেপে এবার কি আমেরিকা থেকে অস্ত্র ও বিমান কেনার পরিকল্পনা স্থগিত করছে নয়াদিল্লি? খাতায়-কলমে এখনও এবিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি সরকার। তবে সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স দাবি করেছে, শীঘ্রই ওয়াশিংটনে যাওয়ার কথা ছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের। সেই সফরেই আমেরিকা থেকে বেশ কিছু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার বিষয়টি ঘোষণার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজনাথের ওয়াশিংটন সফর স্থগিত করা হয়েছে।

Advertisement

রয়টার্সের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমেরিকা থেকে নতুন করে কোনও অস্ত্র বা বিমান কেনার পরিকল্পনা স্থগিত রাখা নিয়ে লিখিত কোনও নির্দেশিকা এখনও জারি হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ধীরে চলো নীতি নেওয়া হয়েছে। জেনারেল ডিনামিক্স ল্যান্ড সিস্টেমের তৈরি স্ট্রাইকার কমব্যাট গাড়ি এবং রেথিয়ন ও লকহিড মার্কিনের তৈরি জাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল কেনার কথা ছিল ভারতের। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ট্যারিফ-সংঘাতের জেরে এবিষয়ে আলোচনার প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের আসন্ন ওয়াশিংটন সফর থেকে ভারতীয় নৌসেনার জন্য ছ’টি বোয়িং পি৮এল বিমান ও সাপোর্ট সিস্টেম কেনার পরিকল্পনা ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। এই বিমান কেনার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত ৩৬০ কোটি ডলারের চুক্তি নিয়ে আলোচনাও অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল। যদিও শুল্ক-যুদ্ধের আবহে রাজনাথের আসন্ন সফরই স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে বলে রয়টার্সের এই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
রয়টার্সের এই রিপোর্ট সামনে আসার পর অবশ্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক একটি ভারতীয় চ্যানেলে দাবি করেছেন, আমেরিকার সঙ্গে ইতিমধ্যেই যেসব চুক্তি রয়েছে, তার অন্তর্গত সরবরাহ জারিই থাকবে। এমনকী নতুন করে যে চুক্তিগুলি হওয়ার কথা ছিল, সেগুলিও স্থগিত রাখার সত্যতাও তিনি মানতে চাননি। তবে সরকারের তরফে এবিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। ফলে জল্পনা তুঙ্গে।   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ