Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আরামবাগের ৯টি স্লু্ইস গেট সংস্কারে নামছে সেচদপ্তর

সামনেই বর্ষা। তার আগে দ্বারকেশ্বর নদের উপর থাকা আরামবাগ পুরসভা এলাকার স্লুইস গেট সংস্কারে নামছে সেচদপ্তর। পুরসভা এলাকায় থাকা ন’টি স্লুইস গেট সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছে পুরসভা।

আরামবাগের ৯টি স্লু্ইস গেট সংস্কারে নামছে সেচদপ্তর
  • ১৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: সামনেই বর্ষা। তার আগে দ্বারকেশ্বর নদের উপর থাকা আরামবাগ পুরসভা এলাকার স্লুইস গেট সংস্কারে নামছে সেচদপ্তর। পুরসভা এলাকায় থাকা ন’টি স্লুইস গেট সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছে পুরসভা। সেচদপ্তরের আরামবাগ ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার দীনবন্ধু ঘোষ বলেন, স্লইস গেটগুলি বেহাল হয়ে রয়েছে। সেগুলি সংস্কারের কাজ শুরু করা হচ্ছে। প্রায় ১৫টি এমন স্লুইস গেট মেরামতিতে ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। নদীতে জল বাড়ার আগেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। 

Advertisement

আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারী বলেন, স্লুইস গেটগুলির সংস্কারের জন্য সেচদপ্তরকে আমরা একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। প্রশাসনিক বৈঠকেও বলা হয় স্লুইস গেটগুলির সংস্কার না হলে নদীর জল ঢুকে শহরকে প্লাবিত করতে পারে। সেগুলির সংস্কার হলে খুবই ভালো হবে। 
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ শহরের মাঝ দিয়েই বয়ে গিয়েছে দ্বারকেশ্বর নদ। বাঁকুড়া অববাহিকা দিয়ে অতি বৃষ্টির জল নদে এলে কার্যত ফি বছর তা ফুলে ফেঁপে ওঠে। সেই সময় অনেককেই ঘরবাড়ি ছেড়ে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়। তারসঙ্গে স্লুইস গেট দিয়েও বিপুল পরিমাণ জল ঢুকে পড়ে শহরে। গত বছরই এমন ঘটনার অভিজ্ঞতা রয়েছে শহরবাসীর। গত বছর মনসাতলা এলাকায় রাজ্য সড়কের উপর জলের স্রোত বইতে দেখা যায়। ফলে যাতায়াত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বাসিন্দারা নিজেদের বাড়িতে পর্যন্ত ঢুকতে পারেনি। অভিযোগ, গত বছর নদীতে জল বেড়ে যাওয়ার পর কিছু জায়গায় স্লুইস গেটের কাজ করতে হয়। চলতি বছরে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে আগেভাগে সেগুলির সংস্কারের দাবি ওঠে। পুরসভা এজন্য সেচদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অবশেষে সেচদপ্তর তার কাজ শুরু করতে চলেছে। 
পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, দ্বারকেশ্বরের বাঁধে চাঁদুর, গার্লস কলেজ, সদরঘাট, হরিজন কোয়ার্টার, পাঁড়ের ঘাট, বয়েজ স্কুল, সতীতলা প্রভৃতি সংলগ্ন এলাকায় স্লুইস গেটগুলি রয়েছে। বর্তমানে তার কিছু গেট সংস্কারের ওভাবে বেহাল হয়ে রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে গেটের চাকা ভালোভাবে ঘুরছে না। ফলে এবারও নদীতে জল বেড়ে গেলে বিপাকে পড়তে হতে পারে। তাই সেগুলির আশু সংস্কার প্রয়োজন। স্লুইস গেটগুলির মাধ্যমে শহরের বৃষ্টির জমা জল নদীতে পাশ করে দেওয়া হয়। আবার নদীতে জল বেড়ে গেলে গেট বন্ধ রাখা হয়। যাতে নদীর জল শহরে না ঢুকে পড়ে। ফলে এই কাজে গেটগুলির গুরুত্ব রয়েছে। সেচদপ্তর জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে গার্লস কলেজের পিছনের দিকে স্লুইস গেটের কাজ শুরু করা হচ্ছে। তাছাড়া নদীর ওপারে থাকা কয়েকটি গেটেরও কাজ করা হবে। • নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ