Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিশ্বভারতীতে নিয়োগে ফের অনিয়ম, তদন্ত চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে আর্জি

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ নিয়ে ফের অনিয়মের অভিযোগ উঠল। তদন্তের দাবিতে রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জিও জানানো হয়েছে বিশ্বভারতীর এক অধ্যাপকের তরফে।

বিশ্বভারতীতে নিয়োগে ফের অনিয়ম, তদন্ত চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে আর্জি
  • ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান ও সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ নিয়ে ফের অনিয়মের অভিযোগ উঠল। তদন্তের দাবিতে রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জিও জানানো হয়েছে বিশ্বভারতীর এক অধ্যাপকের তরফে। বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রকের গোচরেও আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শাখায়  ভূগোল বিভাগে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে  অনিয়ম হয়ে আসছে। স্বচ্ছতা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন রয়েছে। যদিও বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, ‘অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে সবরকম নিয়ম স্বচ্ছতার সঙ্গে মানা হয়েছে। কোনও অনিয়ম হয়নি। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।’সম্প্রতি বিদ্যা ভবনের ভূগোল বিভাগে একজনকে  সহকারী অধ্যাপক হিসাবে  নিয়োগ করা হয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে রিমোট সেনসিং-এর অভিজ্ঞতাকে কেবল ‘ডিজায়ারেবল’ (যেটা হলে ভালো হয়) হিসাবে উল্লেখ করা ছিল। অথচ, নিয়োগে এই যোগ্যতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাঁকে নিয়োগ করা হয়েছে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বিভাগে কাজ করতেন। তিনি আবেদন জমার শেষ লগ্নে  গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তিনি শিক্ষাকর্মী ছিলেন। শিক্ষকতার  অভিজ্ঞতা ছিল না। সহকারী অধ্যাপক হওয়ার জন্য যে মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কিভাবে পূর্ণ  হল? প্রশ্ন তোলা হয়েছে অভিযোগপত্রে।  শিক্ষামন্ত্রকে পাঠানো অভিযোগপত্রের দাবি করা হয়েছে,  নির্বাচিতদের কোনও প্যানেল প্রকাশ করা হয়নি।

Advertisement

 অথচ, ১২ ডিসেম্বর  যোগদানের  বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান ও যোগদান সম্পন্ন হওয়ায় প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা ও যথাযথ নিয়ম পালনের বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে।যদিও এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও এই বিভাগের আরও এক শিক্ষাকর্মীকে  অধ্যাপক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। পরে ক্যাগের প্রতিবেদনে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম চিহ্নিত হয়। তাঁর পদোন্নতি স্থগিত রয়েছে।এছাড়া, ২০২০ সালেও ভূগোল বিভাগে স্নাতকোত্তর ভর্তি প্রক্রিয়ায় গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টে তার সত্যতাও পাওয়া যায়। তারপরও কারও বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এক আধিকারিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও এ ধরনের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এতে বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ