Bartaman Logo
২১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

শান্তিচুক্তির পরেও ফের হামলা ইরানের, হরমুজে ধ্বংস এক পণ্যবাহী জাহাজ

আনুষ্ঠানিক চুক্তির পরেও এখনও শান্ত হয়ে ওঠেনি মধ্য এশিায়র যুদ্ধ পরিস্থিতি।

শান্তিচুক্তির পরেও ফের হামলা ইরানের, হরমুজে ধ্বংস এক পণ্যবাহী জাহাজ
  • ২৬ জুন, ২০২৬ ১২:২৮
Prefer us on Google

তেহরান, ২৬ জুন: আনুষ্ঠানিক চুক্তির পরেও এখনও শান্ত হয়ে ওঠেনি মধ্য এশিায়র যুদ্ধ পরিস্থিতি। ফের হরমুজ প্রণালীতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল ইরানের বিরুদ্ধে। সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী ‘এভার লাভলী’ নামক এক পণ্যবাহী জাহাজ যাচ্ছিল হরমুজের পথ ধরে।  ঠিক সেই সময়ে ওই জাহাজের উপর হামলা হয় বলে সূত্রের খবর। তবে এই হামলা নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো মন্তব্য জানা যায়নি তেহরানের তরফে। আমেরিকার সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পরে পশ্চিম এশিয়া এবং হরমুজে যখন শান্তি এবং স্থিতিশীলতার মুখ দেখছে ঠিক সেই সময় ফের এই হামলা নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। কেন এই হামলা চালানো হল তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। 

Advertisement

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই ঘটনার আগেই ইরানের আধাসামরিক বাহিনী জানিয়েছিল তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করবে না।  আশঙ্কা করা গিয়েছে, পারস্য এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী ওই সঙ্কীর্ণ প্রণালীর উপর নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখতেই তেহরানের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই হুঁশিয়ারির পরই জাহাজটিতে হামলা চালানো হয়। ইরানের এই হুঁশিয়ারি না মানার শাস্তি দেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই হামলার পর শান্তিচুক্তিতেও বড়ো প্রভাব পড়তে পারে এমনটাই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। শান্তিচুক্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, হরমুজ ধরে অবাধ জাহাজ চলাচল করবে। কিন্তু এই হামলার পর তা অমান্য করে ইরান বুঝিয়ে দিল যে এরপর আর কোনোদিনই হরমুজের পরিস্থিতি আগের মতো স্বাভাবিক হবে না। এরআগে যুদ্ধের আবহে হরমুজে আটকে থাকা জাহাজগুলিকে এবং পাশাপাশি কর্মীদের উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন।

সাম্রতিক এই হামলার জেরে হরমুজে এই উদ্ধার অভিযান আপাতত বন্ধা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। শান্তিচুক্তির পর এই হামলা কতটা প্রভাব ফেলেবে মধ্য এশিায়ার যুদ্ধে তার দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ