Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ শুরু আন্তর্জাতিক রাজবংশী চলচ্চিত্র উৎসব

আজ, শুক্রবার আলিপুরদুয়ার পুরসভার মিউনিসিপ্যাল হলে শুরু হচ্ছে সপ্তম আন্তর্জাতিক রাজবংশী চলচ্চিত্র উৎসব। উৎসব চলবে শনিবার পর্যন্ত।

আজ শুরু আন্তর্জাতিক রাজবংশী চলচ্চিত্র উৎসব
  • ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আজ, শুক্রবার আলিপুরদুয়ার পুরসভার মিউনিসিপ্যাল হলে শুরু হচ্ছে সপ্তম আন্তর্জাতিক রাজবংশী চলচ্চিত্র উৎসব। উৎসব চলবে শনিবার পর্যন্ত। শুক্রবার এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন এক সময় উত্তরবঙ্গ কাঁপানো ‘ময়নার চখুর জল’ যাত্রাপালার কাহিনীকার গুণেশ্বর অধিকারী।

Advertisement

মিউনিসিপ্যাল হলে মূল উৎসব শুরুর আগে শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডে নয়নাভিরাম নৃত্যের ঝলক দেখানো হবে। সেখানে রাজবংশীদের চিরাচরিত বৈরাতি, গোয়ালি, বিষহরা, চোরচূর্ণী গানের নৃত্য পরিবেশন করা হবে। প্যারেড গ্রাউন্ডে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই নৃত্য পরিবেশনের অনুষ্ঠান চলবে।
এরপর দুপুর ১২টায় প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে শোভাযাত্রা শুরু হবে। শোভাযাত্রা শেষ হবে মিউনিসিপ্যাল হলে গিয়ে। উৎসব কমিটির সভাপতি সুরেশ চন্দ্র রায় বলেন, মূল উৎসবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশচিক বরাইক, বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল, প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী, স্থানীয় পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর, জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব ও পরিষদের মেন্টর মৃদুল গোস্বামী। 
উৎসবের প্রথম দিন রাজবংশী ভাষায় নির্মিত চারটি ছবির প্রদর্শনী হবে। বর্তমান উৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক দেবকুমার দাসের হাত ধরে সাত বছর আগে এই রাজবংশী চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা হয়েছিল। দেবকুমারবাবু বলেন, এবছরের উৎসবের প্রথম দিন উপস্থিতত থাকবেন উত্তরবঙ্গের রাজবংশী সিনেমা জগতের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা শ্রেয়া অধিকারী। উৎসবের দ্বিতীয় দিন শনিবার দেখা যাবে ইউটিউবার উজ্জ্বল বর্মনকে।
উৎসব কমিটির কোষাধ্যক্ষ দুলাল বর্মন ও আর এক যুগ্ম সম্পাদক বকুল দাস বলেন, উৎসবে সংবর্ধনা ও পুরস্কার দেওয়া হবে। দু’দিনের এই উৎসবে রাজবংশী সিনেমার নামী পরিচালক ও প্রযোজকদের সংবর্ধিত ও পুরস্কৃত করা হবে। আন্তর্জাতিক এই রাজবংশী চলচ্চিত্র উৎসবে প্রতিযোগিতামূলক প্রদর্শনী বিভাগে আঞ্চলিক ভাষায় তৈরি মোট ৪০টি ছবি জমা পড়েছে। পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য দুই ধরনের ছবিই জমা পড়েছে।
উদ্যোক্তারা বলেন, উত্তরবঙ্গে বসে সিনেমা তৈরি করা কঠিন। কারণ, উত্তরবঙ্গে সিনেমা শিল্পের কোনও পরিকাঠামো নেই। তবুও রাজবংশী সহ অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষার সিনেমা তৈরির স্বপ্ন  দেখা পরিচালক, প্রযোজক ও  কলাকুশলীদের উৎসাহ দিতেই প্রতি বছর এই উৎসবের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ