নয়াদিল্লি: দিল্লি বিস্ফোরণ ও মেডিকেল মডিউল নিয়ে কাটাছেঁড়া জারি। তবে তদন্তকারীদের ভাবাচ্ছে ‘হোয়াইট কলার টেরর’ নেটওয়ার্ক। সমাজে স্বচ্ছ্ব ভাবমূর্তির নেপথ্যে তরুণ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের একাংশ ক্রমে জড়িয়ে পড়ছে নাশকতামূলক কাজে। বৃহস্পতিবার সেই প্রসঙ্গ উঠল সুপ্রিম কোর্টেও। দিল্লি হিংসার মামলায় উমর খালিদ, শারজিল ইমামদের জামিনের বিরোধিতা করে এদিন সরব হল দিল্লি পুলিশ। তাদের বক্তব্য, বুদ্ধিজীবীরা যখন জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত হয়, তখন তারা সাধারণ জঙ্গিদের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও এন ভি আঞ্জরিয়ার বেঞ্চে উমরদের জামিনের আর্জি মামলার শুনানি চলছিল। সেইসময় দিল্লি পুলিশের হয়ে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু বলেন, ‘একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার তথা সমাজের বুদ্ধিজীবীদের একাংশ নিজেদের কাজে মন না দিয়ে দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত হচ্ছে। এদিন শারজিলের বক্তৃতার ভিডিয়ো দেখানো হয়। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ একটা বড়ো চক্রাম্তের অংশ মাত্র। এগুলি সাধারণ প্রতিবাদ ছিল না।



