নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে ভারত। কিন্তু বিমা ব্যবসার নিরিখে অনেকটাই পিছিয়ে দেশ। মাথাপিছু বিমার প্রিমিয়ামই হোক বা মোট প্রিমিয়াম আদায়, সব দিক থেকেই ভারতের থেকে অনেকটাই এগিয়ে অন্যান্য দেশ। তবে সেই খরা আগামী দিনে কাটবে বলে আশার আলো দেখাল একটি রিপোর্ট। সেখানে বলা হয়েছে, আজ এদেশের বিমা ব্যবসা যে জায়গায় আছে, আগামী দশ বছরে তা অনেকটাই বাড়বে। সেই বৃদ্ধির হার ছাড়িয়ে যেতে পারে অন্যান্য দেশের বৃদ্ধির হারকেও। যদিও মোট ব্যবসার নিরিখে ভারত ততটা এগতে পারবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিমা সংস্থা আলিয়াঞ্জ-এর একটি রিপোর্ট দাবি করেছে, আগামী ১০ বছরে বিশ্বে বিমা ব্যবসা বাড়তে পারে গড়ে বার্ষিক ৫.৩ শতাংশ হারে। ভারতের ক্ষেত্রে সেই হার ১১.৫ শতাংশে পৌঁছতে পারে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে জীবন বিমা, স্বাস্থ্য বিমা সহ সব ধরনের বিমা প্রকল্পকেই আনা হয়েছে। তবে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সবচেয়ে দ্রত গতিতে বাড়বে স্বাস্থ্য বিমার বাজার। তার বৃদ্ধি হতে পারে ৬.৭ শতাংশ হারে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি হবে এশিয়ার দেশগুলি, দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। ভারতের ক্ষেত্রে আগামী ১০ বছরে সেই বৃদ্ধি হতে পারে গড়ে বার্ষিক ১৮.৫ শতাংশ হারে। বিশেষজ্ঞদের কথায়, ধনী দেশগুলিতে স্বাস্থ্য বিমা সম্পর্কে যতটা সচেতনতা রয়েছে, মাথাপিছু আয় কম থাকা দেশগুলিতে ততটা সচেতনতা নেই। সেই কারণেই এখানে স্বাস্থ্য বিমা কেনার প্রবণতা এখনও কম। তবে সেই খরা কাটবে বলে আশার আলো দেখিয়েছে রিপোর্টটি। ভারতের মোট বিমা ব্যবসার পরিমাণ কত? রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৩ সালে তা ছিল ১৩ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০৩৫ সালে তা ৪৮ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টে।



