Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে ঝাড়গ্রামে ২০০০টি পলাশ গাছ লাগানোর উদ্যোগ

অরণ্য সুন্দরী নামে পরিচিত ঝাড়গ্রাম শহর। শালবীথির মাঝে একসময় লাল, হলুদ পলাশ ফুল ফুটতো। অপরূপ সৌন্দর্য চারপাশে ভরে উঠতো। নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে সেই সৌন্দর্য ম্লান হয়ে গিয়েছে।

পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে ঝাড়গ্রামে ২০০০টি পলাশ গাছ লাগানোর উদ্যোগ
  • ২৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: অরণ্য সুন্দরী নামে পরিচিত ঝাড়গ্রাম শহর। শালবীথির মাঝে একসময় লাল, হলুদ পলাশ ফুল ফুটতো। অপরূপ সৌন্দর্য চারপাশে ভরে উঠতো। নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে সেই সৌন্দর্য ম্লান হয়ে গিয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা সাহিত্য পরিষদের সদস্যরা, ‘দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর' এর ডাক দিয়েছেন। বুধবার শহর লাগোয়া কলাবনীর জঙ্গল সবুজায়নের লক্ষ্যে ৫০টি হলুদ ও লাল পলাশ গাছের চারা লাগানো হয়। শহর লাগোয়া এলাকায় দুই হাজার পলাশ গাছ লাগানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।ঝাড়গ্রামের কলাবনী, শালবনী, মহুলবনী, তসরবনী , কুশবনীর নাম জেলার বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। লাগাতার গাছ কাটার  জেরে বহু মূল্যবান বহু গাছ হারিয়ে গিয়েছে। পলাশ গাছের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে গিয়েছে। শহরের নানা প্রান্তে একসময় লাল ও হলুদ পলাশ ফুলের দেখা মিলত। বাসিন্দারা সেই সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হতেন। কিন্তু নগরায়ণের জন্য দেদার গাছ কাটা হয়েছে। ফলে কমেছে পলাশ গাছের সংখ্যা। সেজন্য শহর ও শহর লাগোয়া অঞ্চলে পলাশ গাছের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  এদিন কলাবনীর জঙ্গলে ১০০টি পলাশ গাছের চারা লাগানো হয়। 

Advertisement

ঝাড়গ্রাম জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ললিতমোহন মাহাত, সংগঠনের সম্পাদক ধনঞ্জয় মান্না, পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অজিত মাহাত ছাড়াও বিশিষ্ঠরা উপস্থিত ছিলেন। ধনঞ্জয়বাবু বলেন, অরণ্য সুন্দরী আমাদের প্রাণের শহর। এই শহর ও শহর লাগোয়া এলাকায় একসময় প্রচুর শিমুল, পলাশ , মহুলের গাছ ছিল। পলাশ ও নানা ফুলের সমারোহর জন্যই ঝাড়গ্রাম শহরের নাম অরণ্য সুন্দরী হয়ে ওঠে। নগরায়ন বাড়ছে। সেই সঙ্গে দ্রুত কমছে গাছের সংখ্যা। শহরের নানা প্রান্তে আর ফুল গাছের দেখা মেলে না। সেজন্যই সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।  সংগঠনের এই উদ্যোগকে সফল করতে পুরসভার কাউন্সিলার অজিতবাবু সবরকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। অজিতবাবু বলেন, অরণ্য সুন্দরী পরিবেশ বান্ধব শহর হিসেবে গড়ে উঠুক।  অরণ্যভূমির টানে বহু মানুষ এই জেলায় আসেন। বৃক্ষসৃজনের যেকোন উদ্যোগে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছি।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ