সংবাদদাতা, কালনা: কালনা-১ ব্লকের আটঘড়িয়া-সিমলন পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে প্রায় ৪০ বিঘে চাঁদবিল পার্ক। এই পার্ককে ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সেই লক্ষ্যে শনিবার স্বপনবাবুর সঙ্গে এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা বনাধিকারিক(ডিএফও) সঞ্চিতা শর্মা, মহকুমা শাসক শুভম আগরওয়াল, বিডিও সুপ্রতীক সাহা প্রমুখ। এদিন চাঁদবিল এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা। কীভাবে এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠক হয়। এছাড়াও পার্ক চত্বরে হরিণ রাখার ভাবনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
কালনা-১ ব্লকের আটঘড়িয়া-সিমলন পঞ্চায়েতের অধীন মছলন্দপুর এলাকায় রয়েছে প্রায় ৪০ বিঘা গাছগাছালি ভরা এলাকা, যা চাঁদবিল নামে পরিচিত। শতাধিক আমগাছ সহ অন্যান্য গাছগাছালি রয়েছে। বিল চত্বরে রয়েছে তিনটি বড় জলাশয়। তৃণমূল সরকার আসার পর এই চত্বরে বনভোজন সহ শিশুদের বিনোদনের জন্য বাঘ, হাতি, জিরাফ সহ একাধিক মূর্তি বসানো হয়। এবার মন্ত্রী এই বিস্তীর্ণ এলাকা ঘিরে ইকো ট্যুরিজম গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। দিন কয়েক আগে সাংসদ শর্মিলা সরকার এলাকা পরিদর্শন করে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক পঞ্চায়েতকে নিজস্ব আয় বাড়াতে হবে। সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন পঞ্চায়েতের সম্পদ কাজে লাগানোর উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে। আটঘড়িয়া-সিমলন পঞ্চায়েতের ১৩ একরের মতো গাছগাছালি ও পুকুর ঘেরা জমি রয়েছে। এলাকাটি নির্জন। পরিবেশও মনোরম। ওখানে থাকা তিনটি পুকুরে বিজ্ঞান সম্মতভাবে মাছ চাষ করে আয় হবে। আর গাছগাছালিতে ভরা এলাকায় ইকো ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তুললে বহু পর্যটক আসবে। তাতে আয় বাড়বে পঞ্চায়েতের। ওখানে একটি ডিয়ার পার্কও গড়ার ভাবনা রয়েছে। ২৯ জুন ওখানে সাফাই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এই চাঁদবিল ঘিরে কর্মসংস্থান ও পঞ্চায়েতের আয়ের বড় উৎস হয়ে উঠবে। ডিএফও বলেন, সুন্দর পরিবেশ। পুকুর, গাছগাছালি রয়েছে। এখানে ইকো ট্যুরিজমের ভালো সম্ভবনা রয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। • পরিদর্শনে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, ডিএফও সঞ্চিতা শর্মা, মহকুমা শাসক শুভম আগরওয়াল সহ অন্যান্যরা। -নিজস্ব চিত্র