নয়াদিল্লি: বাজারের দাম যাই হোক, সরকারি পরিসংখ্যানে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি আরও নিম্নমুখী। তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের এপ্রিলের খুচরো মূল্য সূচক (সিপিআই) ৩.১৬ শতাংশ। যা গত ছ’বছরে সর্বনিম্ন। সব্জি, ফলমূল, ডাল ও মাছ-ডিম-মাংসর মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের দাম কমার ফলেই খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার মাথা নামিয়েছে। এর জেরে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আরও একদফা রেপো রেট হ্রাসের পথ প্রশ্বস্ত হল বলে মনে করা হচ্ছে। এমন হলে বাড়ি ও গাড়ি ঋণের সুদের হার কমতে পারে। সেক্ষেত্রে মিলবে মাসিক কিস্তিতে সুরাহা।
খুচরো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির এই হার মার্চে ছিল ৩.৩৪ শতাংশ। এপ্রিলে তা আরও কমল। ২০১৯ সালের মার্চে মুদ্রাস্ফীতির হার নেমেছিল ৩.১৫ শতাংশে। তারপর থেকে ছয় বছরের মধ্যে এপ্রিলের মুদ্রাস্ফীতির হার সবচেয়ে কম। ২০২৪ সালের এপ্রিলে এই হার ছিল ৪.৮৩ শতাংশ। মঙ্গলবার প্রকাশিত এনএসও-র তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের মার্চের তুলনায় এপ্রিলে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির হার একধাক্কায় ৯১ বেসিস পয়েন্ট কমেছে। খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির হার ২০২১ সালের অক্টোবরের পর সবচেয়ে নিম্নস্তরে নেমে এসেছে। খাদ্য সামগ্রীর খুচরো দামের এই হার এপ্রিলে ছিল ১.৭৮ শতাংশ। আগের মাসে তা ছিল ২.৬৯ শতাংশ। গত বছরের এপ্রিলে এই হার ছিল ৮.৯ শতাংশ। সবমিলিয়ে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্ধারিত ৪ শতাংশ (দুই শতাংশ কম বেশি) সীমার মধ্যেই রয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমায় গত ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিলে দু’দফায় ৫০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট হ্রাস করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। চলতি অর্থবর্ষে মুদ্রাস্ফীতির হার মোটামুটি ৪ শতাংশ থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।