Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

জ্বালানি সংকট সাফল্যের সঙ্গেই মোকাবিলা করেছে ভারত: মোদি

রাজস্থানে মোদির বক্তব্য, ভারত ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করছে। সংকট মোকাবিলায় সরকারের সাফল্য এবং নাগরিকদের উপর বোঝা কমানোর চেষ্টা। বিস্তারিত পড়ুন।

জ্বালানি সংকট সাফল্যের সঙ্গেই মোকাবিলা করেছে ভারত: মোদি
  • ৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

জয়পুর: সক্রিয় নীতি। নানা উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ। শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক। এগুলিকে হাতিয়ার করেই একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড়ো জ্বালানি সংকটের সফলভাবে মোকাবিলা করেছে ভারত। এজন্য দেশের লোকজনকে খুব বেশি ঝঞ্ঝাটে পড়তে হয়নি।  শনিবার রাজস্থানের এক অনুষ্ঠান থেকে এমনই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ইরান-আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালী অবরোধের জেরে গোটা বিশ্বে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল। এখনও তার প্রভাব রয়েছে। তা নিয়েই এদিন বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। রাজস্থানের বালোত্রা জেলায় একটি শোধনাগারের উদ্বোধনের পর নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘জ্বালানি সংকটের শুরুর দিকে প্রায় ২৫-২৬টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করত ভারত। কিন্তু সংকট পরিস্থিতির মোকাবিলায় সেই সংখ্যা বাড়ানো হয়। ৪০টির বেশি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করতে শুরু করে ভারত। কূটনৈতিক সাফল্যের জেরেই এটি সম্ভব হয়েছে।’ নরেন্দ্র মোদির কথায়, বিশ্বব্যাপী তেলের দামবৃদ্ধির জেরে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে তেল কোম্পানিগুলির ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান হয়েছে। আর সেই ক্ষতি সামলেছে সরকার। আমরা প্রতি লিটারে অন্তঃশুল্ক ১০ টাকা করে কমিয়েছিলাম। যাতে নাগরিকদের উপর বোঝা না হয়ে দাঁড়ায়। সেইসময় নানা গুজব ছড়ানো হয়েছিল। আমজনতাকে উসকানি দেওয়া হয়েছে। যারা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল, তারা সফল হয়নি। অনেকে ভারতকে ব্যর্থ দেখতে চেয়েছিল। এমনকী ভবিষ্যৎবাণীও করেছিল। আজ তারা গভীর হতাশায় ডুবে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, তেল শোধনের ক্ষমতার দিক থেকে ভারত বিশ্বে চতুর্থ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ