Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

ছত্তিশগড়ে বিধায়ক আবাসন গড়তে উচ্ছেদ ভাঙা হল প্রধানমন্ত্রী আবাসের বাড়ি

ছত্তিশগড়ে বিধায়কদের আবাসন গড়তে উচ্ছেদ অভিযান চালাল প্রশাসন। স্থানীয়দের প্রতিবাদ ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন।

ছত্তিশগড়ে বিধায়ক আবাসন গড়তে উচ্ছেদ ভাঙা হল প্রধানমন্ত্রী আবাসের বাড়ি
  • ৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিশেষ সংবাদদাতা, রায়পুর: বিধায়কদের জন্য গড়ে উঠবে আবাসন। এজন্য ছত্তিশগড়ের রায়পুর বিমানবন্দর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের নকটী গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চালাল প্রশাসন। গত ২৯ জুন ভোরে জেলা প্রশাসনের এই অভিযানে  বুলজোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ৮০টি বাড়ি। প্রশাসনের দাবি, রায়পুরের ধরসিওয়া ব্লকের ৯ হেক্টর সরকারি জমি দখল করে বাড়িগুলি তৈরি হয়েছিল। অভিযানের আগেই সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। ওই জমি ১৫ হেক্টর এলাকায় প্রস্তাবিত বিধায়কদের আবাসন প্রকল্পের অংশ।

Advertisement

উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বাসিন্দারা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। উত্তেজনার কথা মাথায় রেখে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী।স্থানীয়দের দাবি,  গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে বসবাস করছেন তারা। প্রশাসনের নোটিস হাতে পেলেও এই বর্ষার মরশুমে বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হবে, তা তাঁরা কল্পনাও করেননি। তাঁদের অনেকেরই দাবি, সমস্ত বৈধ নথি জমা দিয়ে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকাতে বাড়ি তৈরি করেছিলেন। এই ঘটনা ঘিরে চাপানউতোর চলছে। স্থানীয়রা প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। তিনি  প্রশ্ন তোলেন, ‘দখলীকৃত জমি হলে কীভাবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া হয়েছে? জল, বিদ্যুৎ সমস্ত কিছুই যখন সরকার দিয়েছে, তখন বৈধ বলেই দিয়েছে। বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে সরকার এভাবে বুলডোজার চালাতে পারে। বিজেপি গরীবদের দুঃখ দেখে আনন্দ পায়, তাই বর্ষা এলেই বিজেপি উচ্ছেদ অভিযানে নেমে পড়ে’।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ