লখনউ: স্বামী নিখোঁজ। এমন অভিযোগে থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্ত্রী। ওই ঘটনার ৪৫ দিন পর মিলল নিখোঁজ স্বামীর পচাগলা দেহ। বাড়ির শৌচাগারের মেঝেতে দেহটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। দুর্গন্ধ রুখতে বসানো হয়েছিল টাইলস। উত্তরপ্রদেশের আগ্রার এই ঘটনায় মৃতের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সুরেন্দ্র কুমার শর্মা (৪৪)। গত ১৮ মে থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ২৬ মে তাঁর স্ত্রী রুবি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। আত্মীয়দের জানান, সুরেন্দ্র শীঘ্রই বাড়ি ফিরবেন। তবে তদন্তের সময় রুবির বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি নজরে আসে পুলিশের। এরপর ৩ জুলাই সন্দেহের ভিত্তিতে আগ্রার দহাতোরা এলাকায় সুরেন্দ্রর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। শৌচাগারের মেঝেতে নতুন করে টাইলস বসানো হয়েছে দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপর সুরেন্দ্রর ভাই অনিল শর্মার অভিযোগের ভিত্তিতে মেঝে খুঁড়তেই উদ্ধার হয় সুরেন্দ্রর পচাগলা দেহ। পুলিশ রুবিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। শেষপর্যন্ত তিনি খুনের কথা স্বীকার করেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সুরেন্দ্রর মদ্যপানের অভ্যাস এবং দাম্পত্য কলহের জেরেই এই কাজ করেছেন অভিযুক্ত রুবি। পুলিশের অনুমান, স্বামীর দেহ লুকিয়ে রাখতে রুবিকে অন্য কেউ সাহায্য করে থাকতে পারে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।