সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রামে সরকারি খাসজমি দখল করে রাতারাতি ফ্ল্যাই অ্যাশের ইটের কারখানা গড়ে উঠেছে। প্রায় দু’বিঘা জমিতে যন্ত্রপাতিও বসানো হয়েছে। বিতর্ক শুরু হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শনিবার সেই জমিটি সরকারি বলে চিহ্নিত করে বোর্ড লাগানো হয়। পূর্ব বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি ও ভূমি রাজস্ব) বিশ্বরঞ্জন মুখোপাধ্যায় বলেন, সরকারি জমি কোনওমতেই দখল করা যাবে না। কাউকে রেয়াত করা হবে না। আমরা আউশগ্রামে ওই জমিটি পুনরুদ্ধার করেছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আউশগ্রাম বাজার ঢোকার কিছুটা আগে গুসকরা-ইলামবাজার রাজ্য সড়কের পাশেই ওই সরকারি খাসজমি রয়েছে। সেখানে রাতারাতি ফ্ল্যাই অ্যাশের ইটের কারখানা গড়ে উঠেছে। বিতর্ক শুরু হতেই ওই কারখানা কে করছিলেন, তা কেউ স্বীকার করতে চাইছে না। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছে, ওই কারখানাটি গড়েছেন আউশগ্রামের প্রভাবশালী এক তৃণমূল নেতার ছেলে। অভিযোগ, রাতারাতি সরকারি জমিটি দখল করে ছাই থেকে ইট তৈরির কারখানা চালুর চেষ্টা চলছিল। প্রায় দু’মাস আগে থেকেই জমিতে মাটি ভরাট করে নির্মাণকাজ শুরু হয়। লোহার বিমে টিনের ছাউনি দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ইনদাজুল বলেন, ওখানে কে কারখানা গড়ল জানি না। এদিন সকালে বিএলএলআরও, পুলিস ওই জমিতে যায়। সেখানে সরকারি জমি মাপজোক করা হয়। তারপরই সেখানে সরকারি বোর্ড লাগিয়ে দেন তাঁরা। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমি দখল করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। সেখানে শাসকদলের নেতার ঘনিষ্ঠরা কীভাবে সরকারি জমি দখল করে রাতারাতি কারখানা গড়ল তা নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা।



