Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আপনাদের ভালবাসা থাকলে দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম হবেন মমতা: সায়নী

নির্বাচনে আর এক সপ্তাহও নেই। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার মানবাজার ও বান্দোয়ানে নির্বাচনি সভা করে ভোটের উত্তাপ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়ে গেলেন সাংসদ তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ

আপনাদের ভালবাসা থাকলে দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম হবেন মমতা: সায়নী
  • ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানবাজার: নির্বাচনে আর এক সপ্তাহও নেই। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার মানবাজার ও বান্দোয়ানে নির্বাচনি সভা করে ভোটের উত্তাপ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়ে গেলেন সাংসদ তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। দুই সভায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেন। বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মানবাজারের সভামঞ্চ থেকে সায়নী বলেন, এই নির্বাচন শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করার নির্বাচন নয়, বরং আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া থাকলে ২০২৯-এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

এদিন পুরুলিয়ার মানবাজার বিধানসভার কুড়ুকতোপা মাঠে তৃণমূল প্রার্থী সন্ধ্যারানি টুডুর সমর্থনে প্রথম সভা করেন সায়নী। এদিন মঞ্চ থেকে তিনি তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, দুয়ারে সরকার, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, কৃষকবন্ধু, দুয়ারে রেশন ও যুব সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে কীভাবে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তৃণমূল সাংসদ দাবি করেন, এই প্রকল্পগুলি  সাধারণ মানুষের জীবনে ভালো প্রভাব ফেলেছে।
বিজেপিকে কটাক্ষ করে সায়নী বলেন, নির্বাচনের আগে তারা কখনো ট্রেনে, কখনো বন্দে ভারতে, আবার হেলিকপ্টারে এসে নানা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায়। আর ইলেকশন পার হলে তাদের আর দেখা যায় না। করোনা মহামারীর সময় মমতার ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, যখন অনেক নেতা ঘরে ছিলেন, তখন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তায় নেমে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং সচেতনতা বাড়ানোর কাজ করেছিলেন।
সিপিএম আমলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পুরুলিয়ায় যখন সিপিএম ছিল, তখন কেমন আনন্দে থাকতেন আপনারা? কে ভেবেছে আপনাদের কথা? মমতা দিদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেয়, সিপিএম আমলে পাঁচ পয়সা কী দিয়েছে বলতে পারবেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিজেপি ধর্মের রাজনীতি করে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে চায়, অন্যদিকে তৃণমূল উন্নয়ন ও কাজের রাজনীতি করে। উপস্থিত মা-বোনেদের উদ্দেশে তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু মমতাদিদিকে চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করার নির্বাচন নয়, সন্ধ্যাদিদিকে চতুর্থবারের জন্য বিধায়ক করার নির্বাচন নয়। আপনাদের ভালবাসা, দোয়া থাকলে ২০২৯-এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ সবশেষে তিনি তৃণমূল প্রার্থী সন্ধ্যারানিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর কথায়, প্রার্থীকে জয়ী করা মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতানো। মমতা দিদিকে জেতানো মানে বাংলার মা মাটি মানুষ কে জেতানো। তাই নিজেরা জিতুন দিদিকে যেতান। এদিন সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা গুরুপদ টুডু, অপূর্ব সিংহ, অশোক মাহাত প্রমুখ। মানবাজারের পর বান্দোয়ান বিধানসভার দলীয় প্রার্থী রাজীব লোচন সরেনের সমর্থনে তিনি সভা করেন।

সম্পর্কিত সংবাদ