টোকিও, ২৪ মে: অপারেশন সিন্দুরের প্রচার ও সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের মদত দেওয়ার তথ্য বিভিন্ন দেশকে জানাতে সাংসদদের নিয়ে সাতটি কেন্দ্রীয় দল গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সেই দল গঠন করা হয়েছে। সাতটি দলে থাকা সাংসদরা যাচ্ছেন বিভিন্ন দেশে। সেখানে গিয়েই পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিচ্ছেন ভারতীয় সাংসদরা। তেমনই একটি দলে রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গিয়েছেন জাপানের টোকিওতে। সেখানে গিয়ে নানা বৈঠক করেছেন অভিষেক। পাকিস্তানের আসল রূপ তুলে ধরেছেন তৃণমূল সাংসদ। আজ, শনিবার টোকিওতে জাপানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে একটি বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকেই বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি।
অভিষেক বলেছেন, ‘পহেলগাঁওতে হামলার পর, জঙ্গিদের দমনের জন্য আমরা ১৪দিন সময় দিয়েছিলাম পাকিস্তানকে। ভেবেছিলাম পাক সরকার দোষীদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু তা হয়নি। তারপরেই ভারত প্রত্যাঘাত করে। যার ফলে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। কোনও সাধারণ নাগরিকের ক্ষতি হয়নি এই প্রত্যাঘাতে। আমরা শুধুই জঙ্গি ও তাদের ঘাঁটি ধ্বংস করেছি। আমরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হয়ে এসেছি। কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্যে এক। দেশের জন্য আমরা সবাই এক। আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ভারত কখনও মাথা নত করবে না, আমরা এখানে এই বার্তাই পৌঁছে দিতে এসেছি। আমরা মোটেও ভীত নই। আমি বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা। পাকিস্তান যে ভাষায় বোঝে সেই ভাষাতেই শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। যদি সন্ত্রাসবাদ পাগলা কুকুর হয়, তবে পাকিস্তান তাকে লালন পালন করছে। বিশ্বের সকলকে একজোট হয়ে ওই পাগলা কুকুরের লালন পালনকারীকে প্রতিরোধ করতে হবে। নইলে ওই লালন পালনকারী আরও পাগলা কুকুরের জন্ম দেবে। ভারত দায়বদ্ধ তাকে শিক্ষা দিতে। নির্ভুলভাবে ও দায়িত্ব সহকারে আমরা সমস্ত প্রত্যাঘাত করেছি।’
জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় ঝাঁয়ের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত তাঁরা রয়েছেন জাপানের টোকিওতে। সেখানে পৌঁছে প্রথমে জাপানের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিনিধি পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিল সাংসদ সঞ্জয় ঝাঁয়ের নেতৃত্বে থাকা প্রতিনিধি দলটি। তাতে অংশগ্রহণ করেছিলেন অভিষেকও।