Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

তেহরানের নিশানায় আমাজনের ডেটা সেন্টার, বাহরিন-জর্ডনের মার্কিন ঘাঁটি

বাহরিনে আমাজনের ডেটা সেন্টারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। সংঘাতের মধ্যে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন।

তেহরানের নিশানায় আমাজনের ডেটা সেন্টার, বাহরিন-জর্ডনের মার্কিন ঘাঁটি
  • ২৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দুবাই: সংঘর্ষবিরতি অতীত। গত কয়েকদিন ধরে আবারও উত্তেজনার পারদ চড়ছে পশ্চিম এশিয়ায়। শুক্রবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ল বাহরিনে অবস্থিত আমাজনের ডেটা সেন্টারে। ইরানের এক সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন সংস্থা আমাজনের ডেটা সেন্টার বিল্ডিং লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। আমেরিকার শিশু-নিধনকারী সেনাকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে এই সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যদিও আমাজন কর্তৃপক্ষ বা বাহরিনের তরফে এই হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। বৃহস্পতিবারও একটি ডেটা সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। বাহরিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেশ কয়েকটি ইরানি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে তাঁরা।

Advertisement

এদিকে, উত্তর ইরাকের একটি মার্কিন সেনাছাউনি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের কুর্দিশ এলাকায় অবস্থিত ইরবিল শহরে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ আছড়ে পড়ে বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন। অন্তত ৭টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। সেনা ছাউনি চত্বর ও আশেপাশের এলাকায় কালো ধোঁয়ার কুন্ডলী দেখা গিয়েছে বলে খবর। হামলায় আক্রান্ত হলেও ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে ইরাক। পাশাপাশি, জর্ডনের মার্কিন সেনাঘাঁটিতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি।
অন্যদিকে, ইরানের একটি নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। আরেক গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি ও পরমাণু কেন্দ্র কেশম দ্বীপেও রাতভর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। এই কেশম থেকেই হরমুজ প্রণালীতে ড্রোন বোকের মাধ্যমে হামলা চালায় ইরান। এদিন মার্কিন হামলায় আহভাজ শহরের কাছে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আহত চার। লোরেস্তান প্রদেশ ও বন্দর আব্বাসেও দু’জন করে আহত হওয়ার খবর মিলেছে। ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংঘর্ষ বিরতির পর এখনও পর্যন্ত মার্কিন আক্রমণে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন ৬০০-এরও বেশি। সংঘাতের মধ্যেই হরমুজ নিয়ে ফের ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, হরমুজের কোনো জাহাজে ক্ষতি হলে তা আমেরিকার কাছে থাকা ইরানের টাকা থেকে কেটে নেওয়া হবে। পালটা ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচির কটাক্ষ, ‘একবার বাজেয়াপ্ত করার পরম্পরা শুরু হলে কারো সম্পদই নিরাপদ নয়। এবং তা কারো জন্যই সুখকর হবে না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ