Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আইসিডিএসে জমিজট, খোলা জায়গায় রান্নায় বিক্ষোভ

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জায়গা নিয়ে জট। আর এরই জেরে কার্যত লাটে উঠেছে পড়াশোনা। খোলা জায়গায় চলছে রান্না। এরই প্রতিবাদে বুধবার সরব হন এলাকার বাসিন্দারা।

আইসিডিএসে জমিজট, খোলা জায়গায় রান্নায় বিক্ষোভ
  • ২৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জায়গা নিয়ে জট। আর এরই জেরে কার্যত লাটে উঠেছে পড়াশোনা। খোলা জায়গায় চলছে রান্না। এরই প্রতিবাদে বুধবার সরব হন এলাকার বাসিন্দারা। বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি সদরের খড়িয়া পঞ্চায়েতের পুরাতন পান্ডাপাড়া পার্কের মোড় এলাকায়। 

Advertisement

অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে যেখানে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি চলছে, সেখানে আর সেন্টার চলতে দিতে নারাজ জমির মালিক। এনিয়েই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সেন্টারের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী রীতা রায়ের দাবি, সম্প্রতি ঝড়-বৃষ্টিতে আইসিডিএস সেন্টারের ঘর পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। ফলে কলপাড়ে খোলা জায়গায় শিশু ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য রান্না করতে হয়। বৃষ্টি এলে অন্যের বাড়িতে উনুন নিয়ে গিয়ে রান্না করতে হয়। তাঁর দাবি, পড়াশোনা কীভাবে হবে? কোথাও বসার জায়গা না পেয়ে গাছের নীচে বসে থাকি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এদিন তাঁরা এসে পরিস্থিতি দেখে গিয়েছেন।
এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য কুসুম সরকার মণ্ডলের বক্তব্য, আইসিডিএস কর্মী সেন্টারের ঘরের বিষয়টি আমাকে বলেছেন। পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধানকে জানিয়েছি। কিন্তু তাঁরা বলেছেন, এখন পঞ্চায়েতের তহবিল নেই। ফলে সেন্টারের ঘর তৈরি করে দেওয়া সম্ভব নয়। খুব বেশি হলে তাঁরা দু’টো ত্রিপল দিতে পারেন। এরপর ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু যাঁর জমিতে ওই সেন্টার চলছে, তিনি বাধা দিচ্ছেন।
যদিও এলাকার প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য সীতারাম মাহাতর দাবি, আমাদের জমিতে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি চলছে। আগে ফাঁকা ঘর ছিল, তাই সেন্টার চলতে দেওয়া হয়েছে। এখন আমাদের জায়গা দরকার। ফলে এখান থেকে সেন্টার সরিয়ে নিতে হবে। 
জলপাইগুড়ি সদরের বিডিও মিহির কর্মকারের নজরে এসেছে ঘটনাটি। এদিন রাতে তিনি বলেন, সিডিপিওকে খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে গিয়ে এদিন দেখা যায়, কলপাড়ে রান্না চলছে। শিশু ও অন্তঃসত্ত্বারা খাবারের জন্য অপেক্ষা করছেন। তাঁদের বসার মতো জায়গা নেই। পড়াশোনার কোনও বালাই নেই। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘর ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই খোলা জায়গায় রান্না হচ্ছে। 
 নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ