Bartaman Logo
৩০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

টাকা পেয়েও মোবাইল কেনায় অনীহা আইসিডিএস কর্মীদের সময়সীমা বেঁধে দিল দপ্তর

জেলায় প্রায় ৯৫০০ জন আইসিডিএস কর্মী মোবাইল ফোন কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে পেয়েছেন রাজ্য সরকার থেকে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হল, এখনও পর্যন্ত মাত্র ৮০০ জনের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সেই টাকা দিয়ে মোবাইল কিনেছেন।

টাকা পেয়েও মোবাইল কেনায় অনীহা আইসিডিএস কর্মীদের সময়সীমা বেঁধে দিল দপ্তর
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: জেলায় প্রায় ৯৫০০ জন আইসিডিএস কর্মী মোবাইল ফোন কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে পেয়েছেন রাজ্য সরকার থেকে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হল, এখনও পর্যন্ত মাত্র ৮০০ জনের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সেই টাকা দিয়ে মোবাইল কিনেছেন। এমনই রিপোর্ট জমা পড়েছে জেলা দপ্তরে। ফলে দপ্তরের তরফে বাকি সব কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ জারি হয়েছে।

Advertisement

নির্দেশ অনুযায়ী, ৩১ নভেম্বরের মধ্যেই প্রত্যেক কর্মীকে মোবাইল কিনে তার বিল ও প্রয়োজনীয় রিপোর্ট জমা দিতে হবে অফিসে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশু ও মাতৃকল্যাণের বিভিন্ন কাজ সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে। ফলে কর্মীদের হাতে স্মার্টফোন থাকা জরুরি। সেই কারণেই রাজ্য সরকারের তরফে প্রতিটি আইসিডিএস কর্মীকে মোবাইল কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে ১৬ অক্টোবর। সেই টাকায় কেনা ফোন সরকারি কাজেই ব্যবহার করতে হবে কর্মীদের। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ৯৫০০ জন কর্মী সেই টাকা পেয়েছেন। কিন্তু, তার মধ্যে মাত্র ৭৯৪ জন মোবাইল কিনেছেন।
কেন এত সংখ্যক কর্মী এখনও ফোন কেনেননি? এক আধিকারিকের কথায়, অনেক কর্মী এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না, ঠিক কোন মডেল বা মানের ফোন কেনা ঠিক হবে। অনেকে আবার গাফিলতি করেও ফোন কিনছেন না। হাড়োয়ার আইসিডিএস কর্মী রোজিনা বিবি বলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়ার পরও লেনদেন সংক্রান্ত জটিলতা হচ্ছে। তাছাড়া কোন মোবাইল কিনব, বুঝতে পারছি না। নিজের পকেট থেকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে মোবাইল কিনলেও সমস্যা। কারণ আমাকে বিল জমা দিতে হবে ১০ হাজার টাকার। তাই সমস্যা হচ্ছে।
এদিকে, দপ্তরের এক কর্তা বলেন, অনেকেই মোবাইল কিনেছেন। কিন্তু তার রিপোর্ট এখনও আপলোড করেননি বলে সংখ্যাটা কম দেখাচ্ছে। এনিয়ে বারাসত ২ সিডিপিও রাজশঙ্কর পান্ডে বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে ৩১ নভেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক কর্মীকে স্মার্টফোন কেনার প্রমাণ ও রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ