দুবাই: গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে কড়া চিঠি পাঠিয়েছিল আইসিসি। জানতে চাওয়া হয়েছিল, প্লেয়ার্স অ্যান্ড ম্যাচ অফিসিয়াল এরিয়ার তথ্য ও ছবি প্রকাশ করার অপরাধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? তার জবাব দিল পিসিবি। তাদের দাবি, আইসিসি’র প্রোটোকলেই আছে, মিডিয়ার ম্যানেজার ওই সমস্ত জায়গায় ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারেন।
হ্যান্ডশেক বিতর্ক থামার লক্ষণ নেই। গত রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে টসের পর সূর্যকুমার যাদব হ্যান্ডশেক করেননি সলমন আগার সঙ্গে। যা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। পরে পিসিবি অফিসিয়াল অভিযোগ জানায় আইসিসি’র কাছে। দাবি করা হয়, নাটের গুরু ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট। তিনিই নাকি নির্দেশ দিয়েছিলেন, দুই অধিনায়ককে করমর্দন থেকে বিরত থাকার জন্য। পাইক্রফট স্পোর্টসম্যান স্পিরিট লঙ্ঘন করায় তাঁকে বরখাস্ত করার দাবি জানায় পিসিবি। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা তা উড়িয়ে দেয়। উল্টে, পাকিস্তান-আমিরশাহি ম্যাচে পাইক্রফটকেই ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে বহাল রাখে। তাতেই ক্ষেপে যায় পিসিবি। ম্যাচ না খেলার হুমকি দিয়ে চলে নাটক। অবশেষে আইসিসি’র হস্তক্ষেপে সমস্যা মেটে। মাঠে গিয়ে ম্যাচ রেফারি পাইক্রফটের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ম্যানেজার, কোচ ও ক্যাপ্টেন। সেই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড দাবি করে, তিনি ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। তাই ম্যাচ খেলবেন আগারা।
এখানেই শুরু নতুন সমস্যা। আইসিসি’র এক সূত্র দাবি করে, পাইক্রফট ক্ষমা চাননি। পিসিবি রং চড়িয়ে মুখরক্ষার চেষ্টা করছে। তাছাড়া ম্যাচ রেফারির সঙ্গে বৈঠকের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে নিয়ম লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান দল। তাই আইসিসি’র পক্ষ থেকে কড়া চিঠি দেওয়া হয় পিসিবি’কে। এটাও বলা হয়, সদুত্তর না দিলে দুর্নীতিদমন শাখায় অভিযোগ করা হবে। তাতে কোচ, ক্যাপ্টেন ও ম্যানেজারকে জেরার মুখেও পড়তে হতে পারে।
ছবি: পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আগা