Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘আর ওখানে যাব না’,  দিল্লি পুলিশের অত্যাচারে এখনও আতঙ্কে সোনালি

গত ২৬ জুন দিল্লি পুলিশ ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র যাচাই না করেই সোনালি সহ দুই পরিবারের ছয় সদস্যকে বাংলাদেশে পুশ ব্যাক করে।

‘আর ওখানে যাব না’,  দিল্লি পুলিশের অত্যাচারে এখনও আতঙ্কে সোনালি
  • ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
Prefer us on Google

পাইকর (বীরভূম), ৬ ডিসেম্বর: বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশি তকমা দিয়ে আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। এর পরে ছোট্ট ছেলেসহ তাঁকে পড়শি দেশে পুশ ব্যাক করে বিএসএফ। বাংলাদেশে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ঠাঁই হয়েছিল জেলে। আট মাস পরে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন সোনালি বিবি। শনিবার মালদহ মেডিকেল কলেজ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে বীরভূমের পাইকরে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তিনি। বাড়িতে ফিরে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

Advertisement

তার আগে অ্যাম্বুলেন্সে ওঠার সময়ও সোনালির বক্তব্যে ধরা পড়েছে দিল্লি পুলিশের অমানবিক রূপ। সেই বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সোনালি বলেন, ‘ওখানে ভালো ছিলাম না। আট মাস জেলে ছিলাম। জেলের খাবার খাওয়া যেত না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাকা পাঠালে খেতে তবে পেতাম।’ দিল্লি পুলিশ সম্পর্কে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি আরও বলেন,‘দিল্লি পুলিশ অত্যাচার করেছে। বিএসএফের হাতে পায়ে ধরা সত্ত্বেও আমাদের জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছিল। আর দিল্লি যাব না।’ অবশেষে দেশে ফিরে উচ্ছ্বসিত সোনালি। বললেন, ‘দেশ তো দেশই হয়।’ পাইকরে সোনালি বিবিকে জাতীয় পতাকা হতে স্বাগত জানান বিপুল সংখ্যক মানুষ। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।
গত ২৬ জুন দিল্লি পুলিশ ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র যাচাই না করেই সোনালি সহ দুই পরিবারের ছয় সদস্যকে বাংলাদেশে পুশ ব্যাক করে। দীর্ঘ টানাপড়েন ও আইনি লড়াই শেষে শুক্রবার রাতে ভারতে ফিরেছেন সন্তানসম্ভবা সোনালি। সঙ্গে ফিরেছে তাঁর আট বছরের সন্তান সাবির। সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ মালদহের মহদিপুর সীমান্তে তাঁদেরকে বিএসএফের হাতে তুলে দেয় বিজিবি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ