নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শুধু জ্ঞানেশ কুমার নয়। নরেন্দ্র মোদিরও দিন ফুরিয়েছে। দেশবাসীর সঙ্গে ভোটে প্রতারণা করার কর্মফল হিসাবে তাঁকেও একদিন সরে যেতে হবে। এই ভাষায় ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী দলগুলি মোদির বিদায় আসন্ন বলে আক্রমণ করে চলেছে। পালটা দল তো বটেই স্বয়ং মোদিও জানিয়ে দিলেন, তাঁর সরে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। শুক্রবার মোদি গুজরাতের বনসকাঁথায় এক সমাবেশে বলেছেন, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের সেবা করে যাব। তাঁর কথায়, মানুষের আশীর্বাদ আমার সঙ্গে রয়েছে। আমি ভাগ্যবান। মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। তাই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সেবাধর্ম পালন করব। আপনাদের সঙ্গেই থাকব। এদিন বনসকাঁথায় মোদিকে সাদরে বরণ করে স্লোগান ওঠে, মোদি কোথাও যাবেন না। মোদি কহি নেহি যায়েঙ্গে। প্রসঙ্গত ইন্ডিয়া জোটের স্লোগানের পালটা হিসাবে এই স্লোগান চালু করেছে বিজেপি। বিরোধী জোট প্রচারে বারংবার বলছে, মোদি কো যানা হোগা। অর্থাৎ, মোদিকে যেতেই হবে। এদিকে সদ্য সমাপ্ত বিধান পরিষদ নির্বাচনে বারাণসী থেকে প্রয়াগ। লখনউ থেকে নাগপুর। সর্বত্র বিজেপির পরাজয় এবং ইন্ডিয়া জোটের জয় নিয়ে বিজেপির অন্দরে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি এনডিএ জোটেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। মহারাষ্ট্রে যে ধাক্কা এনডিএ জোট খেয়েছে, তার জেরে শুরু হয়েছে জোটসঙ্গীদের মধ্যে বিবাদ। একনাথ সিন্ধের দল সরাসরি বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেছে বিজেপি জোটধর্ম পালন করেনি। পালটা বিজেপি বলেছে, সিন্ধের শিবসেনার কারণেই ফলাফল খারাপ হয়েছে। দেশজুড়ে বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছে। আর বারাণসীতে দুই বিধান পরিষদ আসনে পরাজিত হয়ে বারাণসীর বিজেপি নেতাকর্মীরা পালটা ভোট চুরির অভিযোগে সরব হয়েছে।



