নয়াদিল্লি: উত্তরপ্রদেশ পুলিশ বাহিনীকে ভেঙে দিতে পারি। বুলন্দশহরে শ্লীলতাহানির ঘটনায় এই ভাষাতেই যোগীরাজ্যের পুলিশকে ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট।
নয়াদিল্লি: উত্তরপ্রদেশ পুলিশ বাহিনীকে ভেঙে দিতে পারি। বুলন্দশহরে শ্লীলতাহানির ঘটনায় এই ভাষাতেই যোগীরাজ্যের পুলিশকে ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট।
সম্প্রতি বুলন্দশহরে শ্লীলতাহানির শিকার এক তরুণ অভিযুক্ত বাইক চালককে হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। অভিযোগ, সবকিছু জানা সত্ত্বেও ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ ব্যক্তির নামে এফআইআর দায়ের করা হয়। তবে এলাহাবাদ হাইকোর্ট তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট চাইতেই ভোলবদল করে পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে চার্জশিটে অভিযুক্তের নাম ‘তুষার’ হিসাবে দেখানো। পরে ওই ব্যক্তিকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়। এখানেই শেষ নয়। জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত বাইকটির নম্বর প্লেট না থাকা সত্ত্বেও তদন্তের সময় রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে দেয় পুলিশ। এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা। তাঁর দাবি, প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট পক্ষপাতদুষ্ট। বুধবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তীব্র নিন্দা করেন। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘সবকিছুতেই আপনাদের উদ্দেশ্য থাকে। এভাবে এগলে মানুষ ভরসা করবে কীভাবে? আমাদের মনে হয় যাবতীয় ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। আমরা উত্তরপ্রদেশ পুলিশ বাহিনীকেও ভেঙে দিতে পারি।’ এফআইআরে নাম বাতিলের প্রসঙ্গে বিচারপতিদের তোপ, ‘অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে ধরা পড়লে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির নামে এফআইআর দায়ের করা হল কেন?’ শীর্ষ কোর্ট জানিয়েছে, ‘পুলিশের দেওয়া হলফনামা গ্রহণযোগ্য নয়। পরবর্তী শুনানিতে তদন্তকারী অফিসারকে হাজির থাকতে হবে। নতুন হলফনামায় যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর থাকতে হবে।’