‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবিতে ‘শরৎচন্দ্র’র ভূমিকায় টোটা রায়চৌধুরি। কেমন সেই অভিজ্ঞতা?
‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবিতে ‘শরৎচন্দ্র’র ভূমিকায় টোটা রায়চৌধুরি। কেমন সেই অভিজ্ঞতা?
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা কতটা চ্যালেঞ্জিং?
শরৎচন্দ্রের ভিডিও, অডিও— কোনো রেকর্ডিং নেই। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে যা চর্চা, তার কণামাত্র শরৎবাবুকে নিয়ে হয়নি। আমাকে সবথেকে বেশি সাহায্য করেছেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও মেকআপ আর্টিস্ট সোমনাথ কুণ্ডু। এছাড়া ‘পথের দাবী’ আর ‘শ্রীকান্ত’ খুঁটিয়ে পড়েছি। শরৎবাবুকে ‘শ্রীকান্ত’র মধ্যেই সবচেয়ে বেশি খুঁজে পাওয়া যায়।
শরৎচন্দ্রের চরিত্রের কোন দিকটা আপনার সঙ্গে মেলে?
ওঁর প্রতিবাদী সত্তা। প্রতিবাদের কোনো বয়স হয় না।
এই ছবি সাহিত্যিক সম্পর্কে বাঙালির মনে অতিরিক্ত কী সংযোজন করবে?
‘পথের দাবী’ লেখার আগে ও পরে মানসিকভাবে শরৎবাবুর পরিবর্তন, মতাদর্শের সংঘাত, জীবনযাপনের নতুন বাঁক— অনেক বিষয় রয়েছে।
শরৎচন্দ্র সৃষ্ট কোনো চরিত্রে অভিনয় করতে ইচ্ছে হয়?
সুযোগ এলে সব্যসাচী মল্লিককে লুফে নেব (হাসি)।
শরৎচন্দ্রর ইন্টারভিউ করলে কোন প্রশ্নটা প্রথমে করতেন?
বিপুল জনপ্রিয়তার পরও লেখক সত্তার সততা বজায় রাখেন কীভাবে?
একদিন অভিমানে কলকাতা ছাড়তে চেয়েছিলেন। আজ অভিমান ঘুচেছে?
(হাসি) অনেকটা। ঋতুদা (ঋতুপর্ণ ঘোষ) আমাকে সাহস জুগিয়েছিলেন। ‘চোখের বালি’ পরিচিতি দিয়েছিল বলেই হিন্দিতে পরপর কাজ পাচ্ছিলাম। ২০১৯ এর নভেম্বরে সৃজিতের ফোন না এলে চলেই যেতাম। বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে প্রাসঙ্গিকতা পেয়েছি সৃজিতের জন্য।
বাংলা ইন্ডাস্ট্রির এই লম্বা পরিবর্তন পর্বে আপনি আড়ালে কেন?
আমি আর্টিস্ট। অ্যাক্টিভিস্ট নই। তবে অভিনেতাদের আরও দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ, দিনের শেষে মানুষ আমাদের অভিনয়টাই দেখতে আসে।
প্রিয়ব্রত দত্ত