সংবাদদাতা,বারুইপুর: স্বামী কয়েক বছর হল প্রতিবন্ধী অবস্থায় শয্যাশায়ী। এদিকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পেতে তাঁর স্ত্রীকে ছুটতে হচ্ছে সরকারের এ দপ্তর থেকে ও দপ্তর। কিছুতেই টাকা পাচ্ছেন না বারুইপুরের কল্পনা পুরকাইত।
সংবাদদাতা,বারুইপুর: স্বামী কয়েক বছর হল প্রতিবন্ধী অবস্থায় শয্যাশায়ী। এদিকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পেতে তাঁর স্ত্রীকে ছুটতে হচ্ছে সরকারের এ দপ্তর থেকে ও দপ্তর। কিছুতেই টাকা পাচ্ছেন না বারুইপুরের কল্পনা পুরকাইত।
স্বামী প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ার পর কল্পনাদেবীর পেট চালানো দায় হয়ে পড়েছে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা তাঁদের বড়ো ভরসা হতে পারত। কিন্তু তা পেতে একবার বারুইপুর মহকুমা শাসকের অফিস যাচ্ছেন। সেখানে কাজ না হওয়ায় আবার ছুটছেন বারুইপুর পুরসভায়। সেখানেও না পেয়ে শেষে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। অসহায় কল্পনাদেবীর অভিযোগ, ‘আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতে এরকম হয়রান হতে হয়নি। অনলাইনে আবেদন করে প্রথম একমাস অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েছিলাম। তারপর টানা কয়েকমাস হল টাকা পেলাম না। আমাদের চলবে কী করে?’ মহকুমা অফিসের এক আধিকারিককে এ প্রশ্ন করার পর তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি দেখা হবে।’
বারুইপুরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি কল্পনা পুরকাইতের। সোমবার পুরসভায় গিয়েছিলেন। বলেন, ‘ছেলে একটি বেসরকারি জায়গায় কাজ করছে বলে কোনোরকমে সংসার চালিয়ে নিচ্ছি। আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতাম। সংসার চালিয়ে নিতাম। এখন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার না পেলে চলবে কী করে? প্রতিবন্ধী স্বামীর চিকিৎসা করাব কী ভাবে?’ তিনি জানান, বারুইপুর মহকুমা শাসকের অফিসে যাওয়ার পর আবেদন চেক করলেন ওঁরা। স্টেটাসে দেখাল ‘অ্যাপ্রুভ’। অফিসার ফর্মে লিখেও দিলেন সে কথা । এরপর বারুইপুর পুরসভায় যেতে হল। সেখানে স্টেটাস দেখাল ‘আন্ডার প্রসেস’। কেন এমন হচ্ছে? জিজ্ঞাসা করায় পুরসভার লোক বললেন, মহকুমা শাসকের অফিসে আবার যান। অ্যাপ্রুভ লেখার পরও আন্ডার প্রসেস কিভাবে হয়? মানুষ কোথায় যাবে? নিজস্ব চিত্র