সংবাদদাতা, বহরমপুর: স্ত্রী বাপের বাড়ি থেকে ফিরে না আসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন স্বামী। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুর থানার পাকুড়িয়া বিলধরপাড়ায়। মৃতের নাম রাজীব দাস(৪১)। তাঁর বাড়ি ওই এলাকাতেই। এদিন রাত ১০টা নাগাদ যুবকের ঘরে খাবার দিতে গিয়েই তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান মাসতুতো ভাই। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে বহরমপুরের পাওয়ার হাউস পাড়ার পূজা দাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের তিন সন্তানও হয়। একবছর আগে রাগ করে তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে যান পূজা। বেশ কয়েকবার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান রাজীব। পরিবারের দাবি, পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক রাজীব বৃহস্পতিবার বিকেলে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে ফিরে আসার জন্য অনুনয় বিনয় করেন। পূজাদেবী রাজি বা হওয়ায় রাজীব একাই বাড়ি ফিরে আসেন। মৃতের মাসতুতো ভাই সৌরভ কর্মকার বলেন, রাত ১০টা নাগাদ আমি দাদার ঘরে খাবার দিতে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। সৌরভবাবুর দাবি, বউদি ফিরে না আসায় দাদা অভিমানে আত্মঘাতী হয়েছে।
রঘুনাথগঞ্জে স্ত্রী ফোন না ধরায় আত্মঘাতী স্বামী: রাগ করে বাপের বাড়ি গিয়ে স্ত্রী ফোন না ধরায় অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন স্বামী। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ ওই যুবককে মাঠ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। ওইদিন রাতেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের নাম রাহুল ফুলমালি(২৮)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার জামুয়ায়।
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী মারধর করায় গত শনিবার তিন মেয়েকে নিয়ে তক্ষক গ্রামে বাপেরবাড়ি চলে যান স্ত্রী কাকলি ফুলমালি। বুধবার রাতে স্ত্রীকে বারবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। পেশায় লছিমন চালক রাহুল বৃহস্পতিবার সকালে মাঠে গিয়ে কীটনাশক খান।
উদ্ধার করে প্রথমে জঙ্গিপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। মৃতের স্ত্রী বলেন, মদ খেয়ে মারধর করত বলে আমি গত শনিবার রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যাই। বুধবার রাতে আমাকে অনেকবার ফোন করেছিল। আমি রাগ করেই ধরিনি। ফোন না ধরায় অভিমানে আত্মঘাতী হবে আমি বুঝতে পারিনি।