সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকে গ্রাম পঞ্চায়েত,পঞ্চায়েত সমিতির নির্মিত শতাধিক জলাধার বিকল। দীর্ঘদিন সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেই। ফলে গ্রীষ্ম শুরু হতেই জলকষ্টে রয়েছেন বাসিন্দারা।
সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকে গ্রাম পঞ্চায়েত,পঞ্চায়েত সমিতির নির্মিত শতাধিক জলাধার বিকল। দীর্ঘদিন সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেই। ফলে গ্রীষ্ম শুরু হতেই জলকষ্টে রয়েছেন বাসিন্দারা।
মানিকচকের প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষদের কাছে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দিতে প্রশাসন বিশুদ্ধ পানীয় জলাধার বানিয়েছিল। মানিকচক ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় ২৫০টির বেশি পানীয় জলাধার নির্মাণ করা হয় গত কয়েক বছরে। গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে নির্মিত হয়েছে জলাধারগুলি। প্রত্যেকটির জন্য বরাদ্দ হয়েছে প্রায় তিন থেকে চার লক্ষ টাকা। কিন্তু কাজ শেষ করা হলেও বেশিরভাগ জায়গায় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত এলাকার সাধারণ মানুষ। কারণ হিসেবে সামনে এসেছে বেশিরভাগ জায়গায় জলাধারগুলি বিকল। অনেক জায়গায় জলাধার নির্মাণ করা হলেও পরিষেবা শুরু করা হয়নি। এই ছবি দেখা গেল মথুরাপুর পঞ্চায়েতের কাকরিবাধা জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। সেখানে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তিন লক্ষ পাঁচ হাজার টাকায় একটি পানীয় জলাধার নির্মাণ করা হয়।
এক বছরে বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও পরিষেবা শুরু করতে পারেনি পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। একই অবস্থা নাজিরপুর বাঁধ সংলগ্ন এলাকায়। সেখানেও বন্ধ পরিষেবা। স্থানীয় বাসিন্দা রাণা মণ্ডল বলেন, আমরা বহুবার প্রশাসনকে জানালেও পরিষেবা শুরু করার উদ্যোগ নেয়নি। এলাকার মানুষকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল নিয়ে আসতে হচ্ছে। দ্রুত জলাধার ঠিক না হলে গ্রামের মানুষ রাস্তায় নামবেন।
একই অবস্থা মানিকচকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায়। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার বলেন, সাধারণ মানুষ জলাধার ব্যবহারে খুবই অসচেতন। যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে জলধারের ট্যাপ ভেঙে যাওয়ায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি কোন এলাকায় ক’টি জলাধারের সংস্কারের প্রয়োজন। সেগুলি চিহ্নিত করে খুব দ্রুত মেরামত করা হবে। মানিকচকের নাজিরপুরে বিকল অবস্থায় রয়েছে জলাধারগুলি।-নিজস্ব চিত্র