নিজস্ব প্রতিনিধি, কেশপুর: পাড়ার মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সমস্যার সমাধানে কেশপুর ব্লকে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই এই কর্মসূচি ঘিরে মানুষের মধ্যে সাড়া পড়ে। এই কর্মসূচি সফল করতে ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিরাও পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হচ্ছেন। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, কেশপুর ব্লকজুড়ে মোট ৯৯টি শিবির হবে। শনিবার কেশপুর ব্লকের মুগবসান পঞ্চায়েত এলাকায় এই শিবির হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের দলনেতা মহম্মদ রফিক, কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই কর্মসূচিতে রাস্তার সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ব্লকের ১৫টি পঞ্চায়েত এলাকায় এই কর্মসূচি হবে। ব্লক তৃণমূল সভাপতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কর্মসূচির মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হবে। ব্লক এলাকার ১০০ শতাংশ মানুষ যাতে সঠিক পরিষেবা পায় সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।
একসময় রাজনৈতিক হানাহানির জন্য শিরোনামে থাকত কেশপুর। সেইসময় সরকারি পরিষেবা মিলত না বলে অভিযোগ তুলতেন বাসিন্দারা। ভোট এলেই বোমা-গুলির আতঙ্কে ভুগতেন বাসিন্দারা। তবে সরকার বদলের পর থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। ব্লকে রাস্তা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ হলেও এলাকায় ছোট-ছোট সমস্যা রয়েছে। যার সমাধান করার জন্যই এই কর্মসূচি। জেলা পরিষদের দলনেতা রফিক সাহেব বলেন, সিপিএমের অত্যাচার মানুষ দেখেছে। আজ পর্যন্ত কোনও মুখ্যমন্ত্রী এমন পদক্ষেপ নিতে পারেননি। রাজ্যের মানুষ উপকৃত হবে। বিজেপি শুধু ভোট চেনে, ভোট মিটলেই বঞ্চনা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় ছ’-আটটি করে শিবির হবে। কোনও মানুষ যাতে বঞ্চিত না হয়, তার জন্য ব্লক প্রশাসন শিবির মনিটরিং করছে। শনিবার মুগবসান এলাকায় ক্যাম্পে এসেছিলেন সঞ্জীব দাস। তিনি বলেন, খুব ভালো উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। পাড়ার সমস্যার কথা বলার মতো এতদিন কোনও জায়গা ছিল না।-নিজস্ব চিত্র