সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: হাতির দলের পর এবার চিতাবাঘের দলের হানা শুরু হল নাগরাকাটা ব্লকের দুই নম্বর আংরাভাসা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায়। গত রবিবার রাতে উত্তর ধূমপাড়া এবং দক্ষিণ আংরাভাসা ও ঘুঘুটারি এলাকায় এক রাতেই চারটি ছাগল ও একটি বাছুর তুলে নিয়ে যায় চিতাবাঘের দল। গত একসপ্তাহে প্রায় দশ থেকে বারোটি ছাগল, গোরু তুলে নিয়ে গিয়েছে চিতাবাঘ। এঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি সন্ধ্যা নেমে এলে চিতাবাঘের হামলার ভয়ে গৃহবন্দী হয়ে কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা।
Advertisement
বিন্নাগুড়ির রেঞ্জার ধ্রুবজ্যোতি বিশ্বাস বলেন, চিতাবাঘ ধরতে বিকেলে ঘুঘুটারি এলাকায় একটি খাঁচা পাতা হল। বাকি এলাকায় ছাগলের টোপ দিয়ে খাঁচা পাতার ব্যবস্থা হবে। সকলকে সচেতন থাকতে হবে। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের বাড়ি থেকে একা বের হতে দেওয়া যাবে না। রাতে বাড়ির বাইরে বের হলে টর্চলাইট যেন সঙ্গে থাকে।
উত্তর ধূমপাড়া, দক্ষিণ আংরাভাসা ও ঘুঘুটারিবস্তি, ব্লকের এই তিনটি গ্রাম ডায়না জঙ্গলের পাশে বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে। পাশেই জঙ্গল থাকায় সন্ধ্যা নেমে এলেই দলে দলে হাতি ঢুকে পড়ে। হাতির দল অবশ্য বেশিরভাগ ধান সহ বিভিন্ন খেতে হানা দেয়। গ্রামে তারা দল বেঁধে ঢোকে না। ছড়িয়ে ছিটিয়ে গ্রামে ঢুকে পড়ে। একইভাবে চিতাবাঘের দল জঙ্গল থেকে বেরিয়ে কয়েকটি ভাগে ভাগ হয়ে বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে পড়ে। যেই ঘরে ছাগল ও গোরু থাকে, চিতাবাঘ সেই ঘরের বেড়া ভেঙে ঢুকে পড়ে। ছাগল, গোরু আতঙ্কে ডাক দিলে গ্রামবাসীরা চিতাবাঘের উপস্থিতি টের পান। এরপর গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে বেরিয়ে আসার আগেজই চিতাবাঘ ছাগল অথবা বাছুর নিয়ে চম্পট দেয়।
কয়েকদিন আগেই ঘুঘুটারি এলাকায় পোয়ালপুঞ্জির সামনে একটি গোরুকে বেঁধে রেখেছিলেন বাবুলাল ওরাওঁ। সন্ধ্যায় সেই গোরুকে খুলে আনতে গিয়ে চিতাবাঘের হামলায় জখম হন ওই ব্যক্তি। বর্তমানে তিনি সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।
এদিকে গত রবিবার রাতে উত্তর ধূমপাড়ায় লালা ওরাওঁ, মদন ছেত্রীর বাছুর, এনএ রাইয়ের ছাগল ও দক্ষিণ আংরাভাষায় রাজেশ ভুজেলের একটি ছাগলকে তুলে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন এলাকার এক বাসিন্দা পঞ্চম ওরাওঁ।
উত্তর ধূমপাড়া, দক্ষিণ আংরাভাসা ও ঘুঘুটারিবস্তি, ব্লকের এই তিনটি গ্রাম ডায়না জঙ্গলের পাশে বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে। পাশেই জঙ্গল থাকায় সন্ধ্যা নেমে এলেই দলে দলে হাতি ঢুকে পড়ে। হাতির দল অবশ্য বেশিরভাগ ধান সহ বিভিন্ন খেতে হানা দেয়। গ্রামে তারা দল বেঁধে ঢোকে না। ছড়িয়ে ছিটিয়ে গ্রামে ঢুকে পড়ে। একইভাবে চিতাবাঘের দল জঙ্গল থেকে বেরিয়ে কয়েকটি ভাগে ভাগ হয়ে বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে পড়ে। যেই ঘরে ছাগল ও গোরু থাকে, চিতাবাঘ সেই ঘরের বেড়া ভেঙে ঢুকে পড়ে। ছাগল, গোরু আতঙ্কে ডাক দিলে গ্রামবাসীরা চিতাবাঘের উপস্থিতি টের পান। এরপর গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে বেরিয়ে আসার আগেজই চিতাবাঘ ছাগল অথবা বাছুর নিয়ে চম্পট দেয়।
কয়েকদিন আগেই ঘুঘুটারি এলাকায় পোয়ালপুঞ্জির সামনে একটি গোরুকে বেঁধে রেখেছিলেন বাবুলাল ওরাওঁ। সন্ধ্যায় সেই গোরুকে খুলে আনতে গিয়ে চিতাবাঘের হামলায় জখম হন ওই ব্যক্তি। বর্তমানে তিনি সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।
এদিকে গত রবিবার রাতে উত্তর ধূমপাড়ায় লালা ওরাওঁ, মদন ছেত্রীর বাছুর, এনএ রাইয়ের ছাগল ও দক্ষিণ আংরাভাষায় রাজেশ ভুজেলের একটি ছাগলকে তুলে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন এলাকার এক বাসিন্দা পঞ্চম ওরাওঁ।



