নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢুকে সন্দেহজনকভাবে ছবি তুলে পুলিসের হাতে আটক এক যুবক। তার থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনটি এটিএম কার্ড, ছোটদের খেলায় ব্যবহৃত জাল টাকা। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রত্যক্ষদর্শী রোগী-পরিজনদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। অনেকেরই ধারণা হয়েছিল যুবকটি হয়তো ভয়ানক কোনও পরিকল্পনা নিয়ে হাসপাতালে ঢুকেছিল। কারণ মেডিক্যাল কলেজের কর্মীরা যখন ওকে পাকড়াও করে তখন বলেছিল ওর মা হাসপাতালে ভর্তি। তাই মেডিক্যালে ঢুকেছে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা যায় যুবকটি মিথ্যে বলছে। তাতে সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। এরপর রায়গঞ্জ থানার পুলিস এসে ওই যুবককে আটক করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ পুলিস জেলার এসপি মহম্মদ সানা আখতার বলেন, সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে পুলিস রায়গঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তবে তার কাছ থেকে তেমন বিশেষ কিছু পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবকের নাম আনসারুল হক(২৫)। তার বাড়ি রায়গঞ্জের রামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন গোমর্ধা এলাকায়। সে দিল্লিতে শ্রমিকের কাজ করে।
Advertisement
প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, যুবকটি যেখানে কাজ করতো সেখান থেকে সে ৩২ হাজার টাকা পায়। তারা সেই টাকা দেয়নি। তাই যুবক মায়ের শরীর খারাপের অজুহাত দেখিয়ে সেই টাকা আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছিল। ঠিকাদারকে সেই ছবি পাঠিয়ে প্রমাণ করতেই সে হাসপাতালে ছবি তুলতে যায়। এদিকে উদ্ধার হওয়া নকল জাল নোটের যথাযোগ্য ব্যাখ্যা মিলেছে।
ওই নকল নোটগুলি সে গ্রামের মেলা থেকে কিনেছিল। ভাইপো ভাইঝিকে দেওয়ার জন্য। এটিএম কার্ডগুলি তার ও তার ভাইয়ের বলে তদন্তে পুলিস জেনেছে। তবে যুবকটি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ বলে এত কাণ্ড ঘটেছে বলে পুলিসের অনুমান। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার জানিয়েছেন, বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
ওই নকল নোটগুলি সে গ্রামের মেলা থেকে কিনেছিল। ভাইপো ভাইঝিকে দেওয়ার জন্য। এটিএম কার্ডগুলি তার ও তার ভাইয়ের বলে তদন্তে পুলিস জেনেছে। তবে যুবকটি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ বলে এত কাণ্ড ঘটেছে বলে পুলিসের অনুমান। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার জানিয়েছেন, বিস্তারিত তদন্ত চলছে।



