সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: প্রতি বছর বর্ষায় ভুটানের হড়পাবান ও ধসে বিপর্যস্ত হয় সীমান্ত জনপদ জয়গাঁ। প্রতিবেশী দেশের হড়পাবান ও ধস থেকে জয়গাঁকে রক্ষা করতে স্থানীয় গোবরজ্যোতি নদীতে বাঁধ দিতে ৭ কোটি ২০ লক্ষ টাকার টেন্ডার ডাকল জয়গাঁ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (জেডিএ)। নগরোন্নয়ন দপ্তর জেডিএর জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করেছে।
Advertisement
ভারত-ভুটান আন্তর্জাতিক সীমান্ত ঘেঁষে এই বাঁধ হবে। শুধু নদী বাঁধই নয়। এই টাকায় জয়গাঁ-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে দু’টি রাস্তায় পেভার ব্লকও বসবে। এছাড়া বর্ষায় ভাঙন থেকে জয়গাঁর মুক্তিধাম শ্মশানঘাটকে বাঁচাতে সেখানেও একটি বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
জেডিএর চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বুধবার বলেন, প্রতিবছর ভুটানের হড়পাবান ও ধসে জয়গাঁর অর্থনীতির কোমর ভেঙে যায়। যা আটকাতে স্থানীয় গোবরজ্যোতি নদীতে বাঁধের কাজের জন্য ৭ কোটি ২০ লক্ষ টাকার টেন্ডার ডাকা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া মিটে গেলেই বাঁধের কাজ শুরু হবে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর এই অর্থ বরাদ্দ করেছে।
বর্ষা এলেই সিঁদুরে মেঘ দেখেন জয়গাঁর বাসিন্দারা। ভুটানের হড়পাবান ও ডলোমাইট বালি মিশ্রিত মাটির ধসে ঢেকে যায় গোটা শহর। গোবরজ্যোতির দু’কূল ছাপিয়ে এই ডলোমাইট বালি মিশ্রিত ধস ঢুকে পড়ে জয়গাঁ শহরের রাস্তাঘাট, দোকানপাট ও বাড়িঘরে। ধসে শহরে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচলও। সেই ধস সরাতেই প্রতি বছর জেডিএর কোষাগার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা বেরিয়ে যায়। তাই স্থায়ী সমাধানের জন্য গোবরজ্যোতি নদীতে বাঁধের দাবি ওঠে। অবশেষে সেই দাবি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
জেডিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গোবরজ্যোতিতে মোট চারটি বাঁধ নির্মাণ করা হবে। ধস আটকাতে শহরের শ্মশানঘাটেও বাঁধ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া মিটে গেলে বর্ষা শুরুর আগে শুখা মরশুমেই বাঁধ তৈরির কাজ শেষ করে ফেলার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাঁধ ছাড়াও এই অর্থে জয়গাঁর দু’টি রাস্তায় পেভার ব্লক বসানো হবে।
জেডিএর চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বুধবার বলেন, প্রতিবছর ভুটানের হড়পাবান ও ধসে জয়গাঁর অর্থনীতির কোমর ভেঙে যায়। যা আটকাতে স্থানীয় গোবরজ্যোতি নদীতে বাঁধের কাজের জন্য ৭ কোটি ২০ লক্ষ টাকার টেন্ডার ডাকা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া মিটে গেলেই বাঁধের কাজ শুরু হবে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর এই অর্থ বরাদ্দ করেছে।
বর্ষা এলেই সিঁদুরে মেঘ দেখেন জয়গাঁর বাসিন্দারা। ভুটানের হড়পাবান ও ডলোমাইট বালি মিশ্রিত মাটির ধসে ঢেকে যায় গোটা শহর। গোবরজ্যোতির দু’কূল ছাপিয়ে এই ডলোমাইট বালি মিশ্রিত ধস ঢুকে পড়ে জয়গাঁ শহরের রাস্তাঘাট, দোকানপাট ও বাড়িঘরে। ধসে শহরে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচলও। সেই ধস সরাতেই প্রতি বছর জেডিএর কোষাগার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা বেরিয়ে যায়। তাই স্থায়ী সমাধানের জন্য গোবরজ্যোতি নদীতে বাঁধের দাবি ওঠে। অবশেষে সেই দাবি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
জেডিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গোবরজ্যোতিতে মোট চারটি বাঁধ নির্মাণ করা হবে। ধস আটকাতে শহরের শ্মশানঘাটেও বাঁধ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া মিটে গেলে বর্ষা শুরুর আগে শুখা মরশুমেই বাঁধ তৈরির কাজ শেষ করে ফেলার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাঁধ ছাড়াও এই অর্থে জয়গাঁর দু’টি রাস্তায় পেভার ব্লক বসানো হবে।



