Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পর্যটকদের থেকে আদায় করা টাকা হোটেলগুলিকে জমা করার নির্দেশ

হোটেল ব্যবসায়ীদের বকেয়া টিসিএসি তথা ট্যুরিস্ট সিভিক অ্যামিনিটি চার্জ দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা।

পর্যটকদের থেকে আদায় করা টাকা হোটেলগুলিকে জমা করার নির্দেশ
  • ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাঁথি: হোটেল ব্যবসায়ীদের বকেয়া টিসিএসি তথা ট্যুরিস্ট সিভিক অ্যামিনিটি চার্জ দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা। হোটেলে আসা পর্যটক পিছু ১০ টাকা করে এই চার্জ নেওয়া হয়। শনিবার দীঘা ও শঙ্করপুর এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির সঙ্গে ডিএসডিএ আলোচনায় বসে। সংস্থার ‘জাহাজবাড়ি’ অফিসে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিএসডিএর চেয়ারম্যান তথা আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মিউসিনিপ্যাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের স্পেশাল সেক্রেটারি পূর্ণেন্দু মাজী, ডিএসডিএর মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক সুরজিৎ পণ্ডিত সহ হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের কর্তারা। অভিযোগ, বহু হোটেল কর্তৃপক্ষ আগত পর্যটকদের কাছ থেকে এই টাকা নেয়। কিন্তু, নিয়ম করে তারা উন্নয়ন সংস্থার অফিসে তা জমা দেয় না। সেখানে বলা হয়, চলতি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই পর্যটন কর যে সমস্ত হোটেল কর্তৃপক্ষের বাকি রয়েছে, তা আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে ডিএসডিএ অফিসে জমা করতে হবে। নির্দিষ্ট পোর্টালে তা নথিভুক্ত করতে হবে। ২০ তারিখের পর কোনও অজুহাত মানা হবে না। নাহলে সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃপক্ষকে পর্যটক পিছু বকেয়া টাকার উপর ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হবে। 

Advertisement

পাশাপাশি জানানো হয়, টিসিএসি গরমিলের জন্য এর আগে প্রতিটি হোটেল কর্তৃপক্ষকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছিল। তা এবার মকুব করে দেওয়া হল। এদিন আরও বলা হয়, প্রতিটি হোটেল কর্তৃপক্ষকে বর্জ্য পদার্থগুলিকে আলাদা করে ডিএসডিএর বর্জ্যবাহী গাড়িতে জমা করতে হবে। হোটেল ও হোটেলের সামনের রাস্তাঘাট সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রত্যেক হোটেলে সেপটিক ট্যাঙ্কে শোকপিট তৈরি করা বাধ্যতামূলক। যাদের সেপটিক ট্যাঙ্ক নেই, আগামী সাতদিনের মধ্যে তৈরি করে নিতে হবে। কোনওভাবে সেপটিক ট্যাঙ্কের প্লাস্টিক পলিথিন সুয়ারেজ বা পয়ঃপ্রণালীর লাইনে না যায়, সেটা দেখতে হবে। গাফিলতি ধরা পড়লে কৈফিয়ত দিতে হবে। প্রতিটি বিষয়ে হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় রাখতে হবে। 
সামনেই ডিসেম্বর মাস এবং ভরা পর্যটন মরশুম শুরু হয়ে যাচ্ছে। তার আগে দীঘাকে সবদিক দিয়ে সাজানোর ব্যাপারে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ডিএসডিএর চেয়ারম্যান বলেন, এই সমস্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে হোটেল টিসিএসি মেটানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নতুন রাস্তা তৈরির পাশাপাশি পুরনো রাস্তা সংস্কার, আলোকস্তম্ভ বসানোর কাজ ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে। 
দীঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত পাত্র বলেন, জগন্নাথ মন্দির গড়ে উঠেছে। তাই আগের থেকে দীঘার গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে।  হাজার হাজার পর্যটক সৈকতশহরে বেড়াতে আসছেন। সেখানে হোটেল কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আমরা প্রতিটি হোটেল কর্তৃপক্ষকে ডিএসডিএ নির্দেশিত নিয়মাবলী মেনে চলার কথা বলেছি। অনিয়ম করলে সংগঠন তাদের পাশে থাকবে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ