Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাসে বাড়ি, ঝাড়গ্রামের পাঁচশোর বেশি শ্রমিকের নাম রাজ্যকে পাঠাল শ্রম দপ্তর

ঝাড়গ্রামের নির্মাণ শ্রমিকদের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা চলছে

আবাসে বাড়ি, ঝাড়গ্রামের পাঁচশোর বেশি শ্রমিকের নাম রাজ্যকে পাঠাল শ্রম দপ্তর
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামের নির্মাণ শ্রমিকদের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা চলছে। শ্রম দপ্তরের তরফে  পুনর্নবীকরণ হওয়া জেলার ৫৪৬ জন নির্মাণ শ্রমিকের নাম রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। সবুজ সঙ্কেত মিললেই এই শ্রমিকদের প্রকল্পের বাড়ি দেওয়া শুরু হবে। ঝাড়গ্রাম জেলা শ্রম দপ্তরের আধিকারিক নবেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, জেলার নির্মাণ শ্রমিকদের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে নাম অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা চলছে। রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশ অনুসারে আবাস প্রকল্পের জন্য জেলার পাঁচশোর বেশি নির্মাণ শ্রমিকের নাম রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। সবুজ সঙ্কেত মিললেই কাজ শুরু হবে। 

Advertisement

বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ২০২২ সালে জেলায় ৫০ হাজার বাড়ির সমীক্ষা  হয়েছিল। ওই প্রকল্পে ২০ হাজার ১৮৩ জন টাকা পেয়েছন। সেই সমীক্ষার মধ্যে যেসব নির্মাণ শ্রমিক এখনও বাড়ি পাননি, তাঁদের বিশেষভাবে চিহ্নিত করে নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম কৃষিপ্রধান জেলা। কলকারখানা  নেই বললেই চলে। জেলার নির্মাণ শ্রমিকরা বাড়ি তৈরি থেকে শুরু করে রাস্তা, রেল, নিকাশি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, টেলিফোনের টাওয়ার, জলের ট্যাঙ্ক, পাইপলাইন মেরামতি, খাদানে পাথর ভাঙার মতো নানা কাজে যুক্ত  থাকেন। শ্রম দপ্তরে নাম নথিভুক্ত ও বাড়ি পাওয়ার যোগ্য এমন পাঁচশোর বেশি নির্মাণ শ্রমিকের নাম পাঠানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ভবন ও নির্মাণ শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদ থেকে এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হবে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পে শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৫৫ টাকা করে জমা হয়। শ্রমিকদের ৬০ বছর বয়সের পর পূর্ণ মেয়াদের সেই টাকা তাঁদের দেওয়া হচ্ছে। ন্যূনতম পাঁচ বছর এই প্রকল্পের সদস্য থাকলে ষাটের পর মাসে এক হাজার টাকা করে পেনশন পাচ্ছেন শ্রমিকরা। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হলে কাজ না থাকাকালীন অর্থ দেওয়া হয়। রাজ্য প্রশাসনের তরফে নির্মাণ শ্রমিকদের এবার আবাস প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সহ সভাপতি সৌমেন আচার্য বলেন, রাজ্য সরকার শ্রমিকদের স্বার্থে প্রকল্প চালু করছে।একশো দিনের কাজ বন্ধ হওয়ার পর আরও আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন শ্রমিকরা। বেশিরভাগেরই পাকা বাড়ি করার সামর্থ্য নেই। সেসব শ্রমিকদের পৃথকভাবে চিহ্নিত করে আবাস প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ  নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ