নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিকল্প চিকিৎসার পাঁচ প্যাথি নিয়ে শুরু হয়েছিল আয়ুষ। আয়ুর্বেদ, যোগ এবং ন্যাচারোপ্যাথি, ইউনানি, সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথি। কিন্তু মোদি জমানায় আয়ুষ বলতে সরকার বুঝছে শুধুমাত্র আয়ুর্বেদ ও যোগাকে। বাকি প্যাথিগুলি রীতিমতো অবহেলিত। এমনই অভিযোগ উঠছে। এ আর এখন শুধু অভিযোগে সীমাবদ্ধ নেই, রাজ্যসভায় খোদ কেন্দ্রীয় আয়ুষমন্ত্রীর উত্তরেই ফাঁস হয়েছে বিজেপি সরকারের আয়ুর্বেদসর্বস্ব আয়ুষ নীতি!
২২ জুলাই রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে কেন্দ্রীয় আয়ুষমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব বলেন, ভারত ছাড়িয়ে বিদেশেও আয়ুষের প্রসারে ১৫টি মউ সাক্ষর করেছে কেন্দ্র। আশ্চর্যজনকভাবে তার মধ্যে ১০টিই হয়েছে আয়ুর্বেদ নিয়ে। হোমিওপ্যাথির ভাগ্যে শিকে ছিঁড়েছে মাত্র একটির। আর ইউনানি পেয়েছে একটি। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, মোদি জমানায় আয়ুষ মানে কি শুধুই আয়ুর্বেদ? দেশজুড়ে প্রায় ৩০০টি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ আছে। তার মধ্যে সরকারি কলেজের সংখ্যা মাত্র ১০ শতাংশ। উত্তরপ্রদেশে ১০টি সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের মধ্যে তিনটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অসমে তিনটি সরকারি কলেজ মিশিয়ে একটি করা হয়েছে। বাংলায় মেদিনীপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের আসন কমেছে। হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (হোমাই)-এর সর্বভারতীয় সভাপতি ডাঃ শ্যামল মুখোপাধ্যায় বলেন, হোমিওপ্যাথির প্রতি রোগীর আগ্রহ বাড়ছে। অথচ যতদিন যাচ্ছে কেন্দ্রের আগ্রহ কমছে। যদিও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথির (এনআইএইচ) অধিকর্তা ডাঃ প্রলয় শর্মা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার তো দিল্লির নারেলায় আমাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস করল। রোজ ৫০০’র বেশি রোগী আসছেন।