নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনা পেতে চলেছে জোড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। একটি রায়দিঘিতে, অন্যটি ক্যানিংয়ে তৈরি হওয়ার কথা। এই সংক্রান্ত প্রস্তাব আগেই স্বাস্থ্যদপ্তরে জমা পড়েছিল এবং তার প্রাথমিক অনুমোদন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) সহ আনুষঙ্গিক তথ্য জমা দিতে বলেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। ফলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সুন্দরবনের দুই প্রান্তে উন্নতমানের চিকিৎসা পাবেন গ্রামবাসীরা। এই জেলায় এখন বারুইপুর এবং কাকদ্বীপে রয়েছে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। তবে প্রান্তিক এলাকায় রোগীর চাপ বাড়ছে এবং মানুষজন উন্নতমানের চিকিৎসা দাবি করছেন। সে কথা মাথায় রেখেই বিজেপি সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে কোমর বেঁধে নেমেছে। একদিকে, সুন্দরবনের একটি বড়ো অংশের মানুষ ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল এবং মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের উপর নির্ভরশীল। এমনকি, পাশের জেলা উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি থেকেও এখানে লোকজন আসেন চিকিৎসা করাতে। তাই ক্যানিং মহকুমা এলাকায় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল গড়া হলে বহু মানুষের উপকার হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলা থেকে যে প্রস্তাব স্বাস্থ্যভবনে পাঠানো হয়েছিল, তাতে ৩০০ শয্যার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও একাধিক নতুন বিভাগ চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে খরচ হতে পারে ১২০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ডায়মন্ডহারবার স্বাস্থ্য জেলার অধীনে রায়দিঘি কাছে একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই চত্বরের মানুষকে অনেকাংশেই নির্ভর হতে হয় ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উপর। রায়দিঘিতে যদি একটি উন্নতমানের হাসপাতাল হয়, তাহলে এই এলাকার মানুষকে আর ডায়মন্ডহারবার ছুটতে হবে না। আপাতত এই হাসপাতালগুলি তৈরির জন্য পরিকল্পনা, রূপরেখা সহ নানা রিপোর্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।



