ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর: হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে ক্রমেই বাড়ছে হিন্দু সহ সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। মহম্মদ ইউনুসের উপদেষ্টা সরকারের আমলে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশ কয়েকদিন সেই হামলা বন্ধ থাকার পর ফের মাথাচাড়া দিয়েছে। বিশেষ করে, ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির হত্যার ঘটনার পর থেকে হিন্দুদের উপর আরও বেশি করে আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। খুন করা হচ্ছে বাংলাদেশে থাকা হিন্দুদের। দীপু দাসকে পুড়িয়ে হত্যার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল সেই তাণ্ডবলীলা। এবার গত দু’সপ্তাহে তৃতীয় হিন্দু ব্যক্তিকে খুন করা হল।
গতকাল, সোমবার বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় খুন করা হয়েছে বজেন্দ্র বিশ্বাস(৪২) নামের এক ব্যক্তিকে। তিনি আনসার গ্রুপের সদস্য ছিলেন। ভালুকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন। সেই কারখানার মধ্যেই গতকাল, সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে খুন করে নোমন মিঁয়া নামের এক ব্যক্তি। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। বাংলাদেশ পুলিশ সূত্রে খবর, নোমন ও বজেন্দ্র আনসার বাহিনীতে যুক্ত। এই বাহিনী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাজে নিযুক্ত থাকে। ভালুকার ওই জনপ্রিয় পোশাক তৈরির কারখানায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল নমন ও বজেন্দ্র। গতকাল, সোমবার কোনও এক কারণে বজেন্দ্র’র বাঁ ঊরুতে গুলি করে নোমন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বজেন্দ্রকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত আনসার সদস্য বজেন্দ্র বিশ্বাস (৪২), সিলেট সদর উপজেলার কাদিরপুর গ্রামের পবিত্র বিশ্বাসের ছেলে। অভিযুক্ত নোমান মিঁয়া (২৯) সুনামগঞ্জের তাহেরপুর থানার বালুটুরি বাজার এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে। কিন্তু কী কারণে খুন? এর পিছনে কী হিন্দু বিদ্বেষ কাজ করছে? তদন্ত শুরু হয়েছে।