Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির আশায় হিলির ব্যবসায়ীরা

বাংলাদেশ পেঁয়াজ আমদানিতে সবুজ সংকেত দিতেই রপ্তানি বাণিজ্যে কিছুটা আশার আলো দেখছেন হিলির ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির আশায় হিলির ব্যবসায়ীরা
  • ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বাংলাদেশ পেঁয়াজ আমদানিতে সবুজ সংকেত দিতেই রপ্তানি বাণিজ্যে কিছুটা আশার আলো দেখছেন হিলির ব্যবসায়ীরা। বহুদিন থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য কার্যত বন্ধ। সূত্রের খবর, কিছুদিন ধরে ওপারে যাচ্ছে মসুর ডাল। ওপার থেকে আসে বিস্কুট। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে বর্তমানে এই দুই পণ্যের আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে। এখন পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনায় অপেক্ষায় সীমান্তের এপারের ব্যবসায়ীরা।

Advertisement

হিলি এক্সপোর্টারস অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য রাজেশ আগরওয়াল বলেন, আগের তুলনায় আমাদের ব্যবসা অনেকটাই কমেছে। বর্তমানে এদিক থেকে মসুর ডাল এবং কিছু কসমেটিক্স ওপারে যাচ্ছে। ওপার থেকে বিস্কুট আসছে। ফলে আমাদের হিলির কিছু গোডাউনের কর্মী কাজ পাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ছিল। পেঁয়াজ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবুজ সংকেত দিয়েছে। পেঁয়াজ রপ্তানি শুরু হলে ব্যবসা বাড়বে। কর্মীরাও কাজ পাবেন। 
হিলির শুল্ক দপ্তর সূত্রে খবর, আগে ভারত থেকে কৃষিপণ্য রপ্তানি বেশি হতো। আলু, পেঁয়াজ, লঙ্কা সহ নানা কাঁচামাল ওপারে যেত। বাণিজ্যের জন্য প্রতিবছর ব্যবসায়ীরা ওই কাঁচামাল হিলিতে মজুত রাখতেন। কিন্তু গতবছর পেঁয়াজ রপ্তানি করতে চাইলেও বাংলাদেশের সবুজ সংকেত মেলেনি। ফলে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। এবার আর ক্ষতি হবে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। পেঁয়াজ রপ্তানি শুরু হলে ব্যবসায়ীদের লাভের পাশাপাশি কর্মীরাও কাজ পাবেন। 
সম্প্রতি ভারত থেকে আপেল সহ নানা ফল রপ্তানি শুরু হয়েছিল। কিন্তু তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফল রপ্তানিতে খরচ অনেকটাই বেশি পড়ে। বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে দু’দেশের বাণিজ্য কার্যত বন্ধ। প্রতিবেশী দেশের অস্থিরতা এখনও স্বাভাবিক হয়নি। ফলে রাজ্যের অন্যান্য স্থল বন্দর সহ হিলি সীমান্ত দিয়ে তেমন বাণিজ্য হচ্ছে না।  
হিলির ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ লরি পণ্য ওপারে গেলেও এখন তা কমে গিয়েছে। এখন মেরেকেটে ৫০-৬০ লরি পণ্য নিয়ে ওপারে যাচ্ছে। আগে ৪-৫ হাজার শ্রমিক ও অন্য কর্মীরা কাজ পেলেও এখন সেই সংখ্যাটা দেড় হাজারে নেমেছে। হিলির এক কর্মী রতন সরকার বলেন, সীমান্তে ব্যবসা ভালো হলে আমরা গোডাউনে কাজ পাই। কিন্তু এখন ব্যবসা খারাপ। বাধ্য হয়ে অন্য জায়গায় কাজে যেতে হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ